Unit Price:
৳ 2.05
(7 x 14: ৳ 200.90)
Strip Price:
৳ 28.70
Also available as:
নির্দেশনা
মেটোপ্রলোল নিম্নোক্ত উপসর্গে নির্দেশিত-
- উচ্চ রক্তচাপ এবং অ্যানজাইনা পেক্টোরিস (হৃদরোগজনিত বুকে ব্যথা) নিয়ন্ত্রণে।
- কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়া (অনিয়মিত হৃদস্পন্দন), বিশেষ করে সুপ্রাভেন্ট্রিকুলার ট্যাকিয়ারিদমিয়ার চিকিৎসায়।
- হাইপারথাইরয়েডিজম (থাইরয়েড হরমোনের আধিক্য)-এর চিকিৎসায় সহযোগী হিসেবে।
- তীব্র মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (হার্ট অ্যাটাক)-এর পর দ্রুত মেটোপ্রোলোল প্রয়োগ করলে হার্টের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার আকার এবং ভেন্ট্রিকুলার ফিব্রিলেশনের ঝুঁকি কমে। ব্যথা উপশমের কারণে এটি ওপিয়েড ব্যথানাশক ঔষধের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দিতে পারে।
- তীব্র মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনে আক্রান্ত রোগীদের মেটোপ্রোলোল দেওয়া হলে তা মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে বলে প্রমাণিত হয়েছে।
ফার্মাকোলজি
মেটোপ্রোলোল একটি সিলেক্টিভ বিটা১-ব্লকার। এটি শারীরিক ও মানসিক চাপের সময় শরীর থেকে নিঃসৃত ক্যাটেকোলামাইনের কারণে হৃৎপিণ্ডের ওপর সৃষ্ট অতিরিক্ত উত্তেজনা হ্রাস বা প্রতিরোধ করে। এর অর্থ হলো ক্যাটেকোলামাইনের তীব্র বৃদ্ধির কারণে সাধারণত হার্টের গতি, কার্ডিয়াক আউটপুট, হৃদপেশীর সংকোচন ক্ষমতা এবং রক্তচাপের যে বৃদ্ধি ঘটে, তা মেটোপ্রোলোল ব্যবহারের মাধ্যমে কমে আসে। নন-সিলেক্টিভ বিটা-ব্লকারগুলোর তুলনায় মেটোপ্রোলোল ইনসুলিন নিঃসরণ এবং শর্করার বিপাক প্রক্রিয়ায় অনেক কম বাধা সৃষ্টি করে। এটি হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করা কমে যাওয়া)-র ক্ষেত্রে রক্তসংবহনতন্ত্রের প্রতিক্রিয়ায় নন-সিলেক্টিভ বিটা-ব্লকারগুলোর চেয়ে অনেক কম বিঘ্ন ঘটায়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
ফিল্ম-কোটেড ট্যাবলেট:
আইভি ইনজেকশন:
- উচ্চ রক্তচাপ: দৈনিক মোট মাত্রা ১০০-৪০০ মি.গ্রা., যা একক ডোজ হিসেবে অথবা দিনে দুবার বিভক্ত মাত্রায় দেওয়া যেতে পারে। প্রাথমিক মাত্রা হলো প্রতিদিন ১০০ মি.গ্রা. (৫০ মি.গ্রা.-এর দুটি ট্যাবলেট)। প্রতি সপ্তাহের ব্যবধানে এটি দৈনিক ১০০ মি.গ্রা. করে বাড়ানো যেতে পারে। যদি দিনে একবার সেবনে রক্তচাপ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসে, তবে দিনে দুবার (b.i.d.) সেবনের নিয়ম শুরু করতে হবে। মূত্রবর্ধক (Diuretic) বা অন্য রক্তচাপ কমানোর ঔষধের সাথে সম্মিলিত থেরাপির কথাও বিবেচনা করা যেতে পারে।
- অ্যানজাইনা: সাধারণত ৫০ মি.গ্রা. থেকে ১০০ মি.গ্রা. করে দিনে দুই বা তিনবার।
- কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়া: সাধারণত ৫০ মি.গ্রা. করে দিনে দুই বা তিনবার সেবনে এটি নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রয়োজনে বিভক্ত মাত্রায় দৈনিক সর্বোচ্চ ৩০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। মেটোপ্রোলোল ইনজেকশনের মাধ্যমে তীব্র অ্যারিদমিয়ার চিকিৎসা করার পর, ৪-৬ ঘণ্টা পর মেটোপ্রোলোল ট্যাবলেট দিয়ে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। মুখে সেবনের প্রাথমিক মাত্রা যেন দিনে ৩ বার ৫০ মি.গ্রা. (50 mg t.i.d.) এর বেশি না হয়।
- হাইপারথাইরয়েডিজম: ৫০ মি.গ্রা. করে দিনে চারবার। থাইরয়েডের স্বাভাবিক অবস্থা (Euthyroid state) অর্জিত হলে ডোজ কমিয়ে আনতে হবে।
- মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (হার্ট অ্যাটাক): ইনজেকশন শেষ হওয়ার ১৫ মিনিট পর থেকে প্রতি ৬ ঘণ্টা পর পর ৫০ মি.গ্রা. করে ৪৮ ঘণ্টা মুখে সেবন করতে হবে। যারা ইনজেকশনের পুরো মাত্রা সহ্য করতে পারেননি, তাদের মুখের জন্য নির্ধারিত ডোজের অর্ধেক দিতে হবে। মেইনটেইনেন্স বা নিয়মিত মাত্রা: সাধারণত দৈনিক ২০০ মি.গ্রা. বিভক্ত মাত্রায়।
- বয়স্কদের ক্ষেত্রে: অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা না থাকলে সুস্থ বয়স্ক রোগীদের জন্য বিশেষ কোনো ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
- তীব্র যকৃতের অকার্যকারিতা: ডোজ কমানোর প্রয়োজন হতে পারে।
- উচ্চ রক্তচাপ: সাধারণত প্রাথমিক মাত্রা ২৫ থেকে ১০০ মি.গ্রা. দিনে একবার (একক বা ডাইইউরেটিক্স এর সাথে)।
- অ্যানজাইনা পেক্টোরিস: মাত্রা রোগীর অবস্থা অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে। সাধারণত প্রাথমিক মাত্রা ১০০ মি.গ্রা. দৈনিক একবার।
- হার্ট ফেইলিউর: NYHA ক্লাস II হার্ট ফেইলিউর রোগীদের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত প্রাথমিক মাত্রা হলো ২৫ মি.গ্রা. দৈনিক একবার (দুই সপ্তাহের জন্য) এবং আরও তীব্র হার্ট ফেইলিউর রোগীদের ক্ষেত্রে ১২.৫ মি.গ্রা. দৈনিক একবার। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে (বা তার বেশি ব্যবধানে) ডোজ বাড়ানো যেতে পারে।
আইভি ইনজেকশন:
- অ্যারিদমিয়া: শিরার মাধ্যমে (IV) প্রতি মিনিটে ১-২ মি.গ্রা. হারে সর্বোচ্চ ৫ মি.গ্রা. পর্যন্ত দেওয়া যাবে। প্রয়োজনে ৫ মিনিট পর পুনরাবৃত্তি করা যেতে পারে, সর্বোচ্চ মোট ডোজ ১০-১৫ মি.গ্রা.।
- অপারেশনের সময়: অ্যানেস্থেশিয়া দেওয়ার সময় বা অপারেশনের সময় অ্যারিদমিয়া নিয়ন্ত্রণে ২-৪ মি.গ্রা. ধীর আইভি ইনজেকশনের মাধ্যমে দিতে হবে; ২ মি.গ্রা. করে ডোজ পুনরাবৃত্তি করা যেতে পারে (সর্বোচ্চ ১০ মি.গ্রা.)।
- মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন: হার্ট অ্যাটাকের ১২ ঘণ্টার মধ্যে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে প্রতি ২ মিনিট পর পর ৫ মি.গ্রা. করে সর্বোচ্চ ১৫ মি.গ্রা. শিরায় দিতে হবে। এর ১৫ মিনিট পর থেকে ৫০ মি.গ্রা. করে প্রতি ৬ ঘণ্টা পর পর ৪৮ ঘণ্টা মুখে সেবন করতে হবে। মেইনটেইনেন্স মাত্রা দৈনিক ২০০ মি.গ্রা. বিভক্ত মাত্রায়।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
ক্যাটেকোলামাইন ক্ষয়কারী ঔষধ (যেমন রিসারপিন, MAO ইনহিবিটরস) বিটা-ব্লকারের সাথে দিলে রক্তচাপ বা হার্ট রেট অতিরিক্ত কমে যেতে পারে। CYP2D6 এনজাইম বাধাগ্রস্তকারী ঔষধ যেমন—কুইনিডিন, ফ্লুওক্সেটিন, প্যারোক্সেটিন এবং প্রোপাফেনন রক্তে মেটোপ্রোলোলের ঘনত্ব বাড়িয়ে দিতে পারে, যা এর কার্ডিওসিলেক্টিভিটি (হৃৎপিণ্ডের ওপর সুনির্দিষ্ট কাজ করা) কমিয়ে দেয়। ডিজিটালিস গ্লাইকোসাইডের সাথে বিটা-ব্লকার ব্যবহার করলে ব্র্যাডিকার্ডিয়া (হার্ট রেট অতিরিক্ত কমে যাওয়া)-র ঝুঁকি বাড়ে। ক্লোনিডিন (Clonidine) ঔষধটি হঠাৎ বন্ধ করার পর যে রিবাউন্ড হাইপারটেনশন (হঠাৎ রক্তচাপ তীব্র বৃদ্ধি পাওয়া) হয়, বিটা-ব্লকার তা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
প্রতিনির্দেশনা
এভি ব্লক (AV block), অনিয়ন্ত্রিত হার্ট ফেইলিউর, তীব্র ব্র্যাডিকার্ডিয়া, সিক-সাইনাস সিন্ড্রোম, কার্ডিওজেনিক শক এবং তীব্র পেরিফেরাল আর্টারিয়াল ডিজিজ। মেটোপ্রোলোল বা অন্য কোনো বিটা-ব্লকারের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা বা অ্যালার্জি থাকলে। হার্ট অ্যাটাকের সাথে যদি তীব্র ব্র্যাডিকার্ডিয়া, ফার্স্ট-ডিগ্রি হার্ট ব্লক, সিস্টোলিক রক্তচাপ ১০০ mmHg এর কম থাকা এবং/অথবা তীব্র হার্ট ফেইলিউরের মতো জটিলতা থাকে, তবে মেটোপ্রোলোল ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, বিষণ্ণতা, ডায়রিয়া, চুলকানি বা র্যাশ, শ্বাসকষ্ট, ধীর হৃদস্পন্দন, মানসিক বিভ্রান্তি, মাথাব্যথা, অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব (Somnolence), দুঃস্বপ্ন দেখা, অনিদ্রা, বমি বমি ভাব, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, হজমের সমস্যা, বুক জ্বালাপোড়া, পেশী ও হাড়ের ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি, যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়া, কানে ভোঁ-ভোঁ শব্দ হওয়া এবং এভি ব্লকের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়া।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
প্রেগন্যান্সি ক্যাটাগরি C। গর্ভবতী নারীদের ওপর পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। গর্ভাবস্থায় অত্যন্ত প্রয়োজন হলেই কেবল এটি ব্যবহার করা উচিত। মেটোপ্রোলোল মায়ের বুকের দুধে খুব সামান্য পরিমাণে নিঃসৃত হয়। স্তন্যদায়ী মায়ের ক্ষেত্রে মেটোপ্রোলোল প্রয়োগের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
সতর্কতা
- ব্রঙ্কোস্পাস্টিক রোগ (যেমন হাঁপানি বা COPD): মেটোপ্রোলোল বিটা১-সিলেক্টিভ হওয়ায় অন্যান্য ঔষধ কাজ না করলে সতর্কতার সাথে হাঁপানি রোগীদের দেওয়া যেতে পারে, তবে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।
- বড় অপারেশন (Major Surgery): বড় অপারেশনের আগে বিটা-ব্লকার বন্ধ করা উচিত কি না তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে; কারণ এর ফলে সাধারণ অ্যানেস্থেশিয়ার সময় হার্টের স্বাভাবিক উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
- ডায়াবেটিস ও হাইপোগ্লাইসেমিয়া: বিটা-ব্লকার রক্তে শর্করা কমে গেলে যে বুক ধড়ফড়ানি (Tachycardia) হয় তা লুকিয়ে ফেলতে বা মাস্ক (Mask) করতে পারে; তবে মাথা ঘোরা বা ঘাম হওয়া অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
- পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ: রক্তনালীর সংকীর্ণতাজনিত সমস্যার লক্ষণগুলো বিটা-ব্লকার ব্যবহারের কারণে আরও বেড়ে যেতে পারে।
- ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার: মেটোপ্রোলোলের সাথে এগুলো একসঙ্গে ব্যবহারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, কারণ এতে হার্টের কার্যক্ষমতা ও গতি মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে।
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
যকৃতের সমস্যা: যকৃতের কার্যকারিতা ব্যাহত হলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
শিশুদের ক্ষেত্রে: ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ধরন বড়দের মতোই। তবে ৬ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে: বয়স্ক এবং তরুণ রোগীদের মধ্যে এই ঔষধের কার্যকারিতা বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কোনো উল্লেখযোগ্য তারতম্য দেখা যায়নি।
শিশুদের ক্ষেত্রে: ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ধরন বড়দের মতোই। তবে ৬ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে: বয়স্ক এবং তরুণ রোগীদের মধ্যে এই ঔষধের কার্যকারিতা বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কোনো উল্লেখযোগ্য তারতম্য দেখা যায়নি।
মাত্রাধিক্যতা
মেটোপ্রোলোল অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনের ফলে তীব্র রক্তচাপ কমে যাওয়া, সাইনাস ব্র্যাডিকার্ডিয়া, এভি ব্লক, হার্ট ফেইলিউর, কার্ডিওজেনিক শক, হার্ট অ্যাটাক, শ্বাসনালী সংকুচিত হওয়া (Bronchospasm), চেতনা হ্রাস পাওয়া, কোমা, বমি, সায়ানোসিস (অক্সিজেনের অভাবে শরীর নীল হওয়া), হাইপোগ্লাইসেমিয়া এবং কখনো কখনো হাইপারক্যালেমিয়া (রক্তে পটাশিয়াম বৃদ্ধি) হতে পারে। লক্ষণগুলো সাধারণত ঔষধ সেবনের ২০ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ পায়।
চিকিৎসা: রোগীর হৃদযন্ত্র, শ্বসনতন্ত্র, কিডনির কার্যকারিতা, রক্তের গ্লুকোজ এবং ইলেকট্রোলাইট নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ঔষধ সেবনের অল্প সময়ের মধ্যে হলে বমি করিয়ে, গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ বা অ্যাক্টিভেটেড চারকোল দিয়ে শোষণ রোধ করা যেতে পারে। হৃদপিণ্ডের জটিলতার জন্য সিম্পাথোমিমেটিক এজেন্ট (যেমন নরঅ্যাড্রেনালিন), অ্যাট্রোপিন বা ইনোট্রোপিক এজেন্ট (যেমন ডোপামিন, ডোবুটামিন) ব্যবহার করা যেতে পারে। এভি ব্লকের জন্য সাময়িক পেসমেকার লাগানোর প্রয়োজন হতে পারে। গ্লুকাগন (Glucagon) ১-১০ মি.গ্রা. শিরায় দিলে অতিরিক্ত বিটা-ব্লকেডের প্রভাব বিপরীতমুখী করা সম্ভব। শ্বাসনালীর সংকোচন কমাতে শিরায় তারবুটালিন দেওয়া যেতে পারে। মনে রাখবেন, হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে মেটোপ্রোলোল শরীর থেকে কার্যকরভাবে বের করা যায় না।
চিকিৎসা: রোগীর হৃদযন্ত্র, শ্বসনতন্ত্র, কিডনির কার্যকারিতা, রক্তের গ্লুকোজ এবং ইলেকট্রোলাইট নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ঔষধ সেবনের অল্প সময়ের মধ্যে হলে বমি করিয়ে, গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ বা অ্যাক্টিভেটেড চারকোল দিয়ে শোষণ রোধ করা যেতে পারে। হৃদপিণ্ডের জটিলতার জন্য সিম্পাথোমিমেটিক এজেন্ট (যেমন নরঅ্যাড্রেনালিন), অ্যাট্রোপিন বা ইনোট্রোপিক এজেন্ট (যেমন ডোপামিন, ডোবুটামিন) ব্যবহার করা যেতে পারে। এভি ব্লকের জন্য সাময়িক পেসমেকার লাগানোর প্রয়োজন হতে পারে। গ্লুকাগন (Glucagon) ১-১০ মি.গ্রা. শিরায় দিলে অতিরিক্ত বিটা-ব্লকেডের প্রভাব বিপরীতমুখী করা সম্ভব। শ্বাসনালীর সংকোচন কমাতে শিরায় তারবুটালিন দেওয়া যেতে পারে। মনে রাখবেন, হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে মেটোপ্রোলোল শরীর থেকে কার্যকরভাবে বের করা যায় না।
সংরক্ষণ
আলো থেকে দূরে, ঠাণ্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
Pack Images: Betaloc 50 mg Tablet
