Unit Price:
৳ 6.00
(4 x 14: ৳ 336.00)
Strip Price:
৳ 84.00
নির্দেশনা
হাইপেন এসআর ট্যাবলেট এসেনশিয়াল হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় নির্দেশিত। কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস পাওয়া রোগীদের উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় এটি কার্যকর, যদিও এক্ষেত্রে এর মূত্রবর্ধক কার্যকারিতা কিছুটা কমে যায়। কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউরের সাথে সম্পর্কিত শরীরে অতিরিক্ত লবণ এবং তরল জমে যাওয়ার চিকিৎসায়ও হাইপেন এসআর নির্দেশিত।
ফার্মাকোলজি
ইনডাপামাইড একটি মুখে সেবনযোগ্য উচ্চ রক্তচাপরোধী ওষুধ। ইনডাপামাইড ঠিক কী পদ্ধতিতে রক্তচাপ কমায় তা সম্পূর্ণভাবে জানা যায়নি; তবে এর পেছনে রক্তনালী এবং কিডনি উভয়ের কার্যপ্রক্রিয়া জড়িত বলে ধারণা করা হয়। উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় ইনডাপামাইডের সম্ভাব্য উপকারী প্রভাবগুলোর মধ্যে রয়েছে কার্ডিয়াক হাইপারট্রফি (হৃৎপিণ্ডের পেশি মোটা হয়ে যাওয়া) হ্রাস করা, ধমনীর দেয়ালের পুরুত্ব কমানো, করোনারি রক্তনালীতে ফাইব্রোনেক্টিনের ভ্রূণীয় আইসোফর্ম জমতে বাধা দেওয়া, ফ্রি র্যাডিকেল দূর করার মাধ্যমে রক্তনালী প্রসারক ইকোস্যানয়েড তৈরিতে উদ্দীপনা দেওয়া এবং কিডনির কার্বনিক অ্যানহাইড্রেজের সাথে মিথস্ক্রিয়া করা।
কিডনিতে ইনডাপামাইডের কার্যস্থল হলো ডিস্টাল টিউবুলের প্রক্সিমাল অংশ। ইনডাপামাইডের ন্যাট্রিউরেটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে (সমপরিমাণ সোডিয়াম এবং ক্লোরাইড শরীর থেকে বের করে দেয়), তবে এটি পটাশিয়াম বা ইউরিক অ্যাসিড নিঃসরণের ওপর কম প্রভাব ফেলে। মানবদেহে কেবল ১.৫ মিলিগ্রামের বেশি মাত্রার ইনডাপামাইড সাসটেইন্ড রিলিজ (SR) ট্যাবলেট প্রতিদিন সেবন করলেই প্রস্রাবের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে দেখা যায়। ক্লিনিক্যাল স্টাডিতে প্লাজমা সোডিয়ামের মাত্রায় কোনো বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি। তবে ৪% রোগীর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হাইপোক্যালেমিয়া (প্লাজমা পটাশিয়াম <3.2 mmol/L) দেখা গেছে।
শোষণ (Absorption): ইনডাপামাইডের মুক্ত হওয়া অংশটি পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে দ্রুত এবং সম্পূর্ণভাবে শোষিত হয়। খাবারের সাথে এটি গ্রহণ করলে শোষণের গতি ও পরিমাণ কিছুটা বৃদ্ধি পায়, তবে এই পরিবর্তন চিকিৎসাগতভাবে তেমন কোনো প্রভাব ফেলে না। একক ডোজ গ্রহণের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর রক্তে ওষুধের সর্বোচ্চ মাত্রা (Peak serum level) পৌঁছায়। নিয়মিত ব্যবহারে রক্তে ওষুধের মাত্রার তারতম্য কমে আসে।
বিস্তার (Distribution): ইনডাপামাইড শরীরের সর্বত্র ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু নির্দিষ্ট স্থানে বিশেষভাবে আবদ্ধ হয়। রক্তে এটি লোহিত রক্তকণিকার সাথে উচ্চ মাত্রায় (৮০%) এবং আরও সুনির্দিষ্টভাবে কার্বনিক অ্যানহাইড্রেজের সাথে (৯৮%) যুক্ত থাকে, তবে এই এনজাইমের ওপর এর কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিরোধমূলক কার্যকারিতা নেই। প্লাজমা প্রোটিনের সাথে ইনডাপামাইডের যুক্ত হওয়ার হার ৭৯%। প্লাজমা থেকে ওষুধটি সম্পূর্ণ দূর হওয়ার অর্ধেক সময় (Elimination half-life) হলো ১৪ থেকে ২৪ ঘণ্টা (গড়ে ১৮ ঘণ্টা)। ওষুধটির ডিস্ট্রিবিউশন ভলিউম প্রায় ৬০ লিটার। একটানা ৭ দিন ব্যবহারের পর এটি শরীরে একটি স্থিতিশীল অবস্থায় (Steady state) পৌঁছায়। নিয়মিত সেবনের ফলে শরীরে ওষুধটি অতিরিক্ত পরিমাণে জমে (accumulation) যায় না।
বিপাক (Metabolism): ওষুধটি লিভারে ব্যাপকভাবে বিপাক বা রূপান্তরিত হয়। মাত্র ৫ থেকে ৭% ওষুধ অপরিবর্তিত অবস্থায় প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
নিষ্কাশন (Elimination): এটি মূলত নিষ্ক্রিয় মেটাবোলাইট বা উপজাত হিসেবে প্রস্রাব (৭০%) এবং মলের (২২%) মাধ্যমে শরীর থেকে নিষ্কাশিত হয়।
কিডনিতে ইনডাপামাইডের কার্যস্থল হলো ডিস্টাল টিউবুলের প্রক্সিমাল অংশ। ইনডাপামাইডের ন্যাট্রিউরেটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে (সমপরিমাণ সোডিয়াম এবং ক্লোরাইড শরীর থেকে বের করে দেয়), তবে এটি পটাশিয়াম বা ইউরিক অ্যাসিড নিঃসরণের ওপর কম প্রভাব ফেলে। মানবদেহে কেবল ১.৫ মিলিগ্রামের বেশি মাত্রার ইনডাপামাইড সাসটেইন্ড রিলিজ (SR) ট্যাবলেট প্রতিদিন সেবন করলেই প্রস্রাবের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে দেখা যায়। ক্লিনিক্যাল স্টাডিতে প্লাজমা সোডিয়ামের মাত্রায় কোনো বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি। তবে ৪% রোগীর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হাইপোক্যালেমিয়া (প্লাজমা পটাশিয়াম <3.2 mmol/L) দেখা গেছে।
শোষণ (Absorption): ইনডাপামাইডের মুক্ত হওয়া অংশটি পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে দ্রুত এবং সম্পূর্ণভাবে শোষিত হয়। খাবারের সাথে এটি গ্রহণ করলে শোষণের গতি ও পরিমাণ কিছুটা বৃদ্ধি পায়, তবে এই পরিবর্তন চিকিৎসাগতভাবে তেমন কোনো প্রভাব ফেলে না। একক ডোজ গ্রহণের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর রক্তে ওষুধের সর্বোচ্চ মাত্রা (Peak serum level) পৌঁছায়। নিয়মিত ব্যবহারে রক্তে ওষুধের মাত্রার তারতম্য কমে আসে।
বিস্তার (Distribution): ইনডাপামাইড শরীরের সর্বত্র ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু নির্দিষ্ট স্থানে বিশেষভাবে আবদ্ধ হয়। রক্তে এটি লোহিত রক্তকণিকার সাথে উচ্চ মাত্রায় (৮০%) এবং আরও সুনির্দিষ্টভাবে কার্বনিক অ্যানহাইড্রেজের সাথে (৯৮%) যুক্ত থাকে, তবে এই এনজাইমের ওপর এর কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিরোধমূলক কার্যকারিতা নেই। প্লাজমা প্রোটিনের সাথে ইনডাপামাইডের যুক্ত হওয়ার হার ৭৯%। প্লাজমা থেকে ওষুধটি সম্পূর্ণ দূর হওয়ার অর্ধেক সময় (Elimination half-life) হলো ১৪ থেকে ২৪ ঘণ্টা (গড়ে ১৮ ঘণ্টা)। ওষুধটির ডিস্ট্রিবিউশন ভলিউম প্রায় ৬০ লিটার। একটানা ৭ দিন ব্যবহারের পর এটি শরীরে একটি স্থিতিশীল অবস্থায় (Steady state) পৌঁছায়। নিয়মিত সেবনের ফলে শরীরে ওষুধটি অতিরিক্ত পরিমাণে জমে (accumulation) যায় না।
বিপাক (Metabolism): ওষুধটি লিভারে ব্যাপকভাবে বিপাক বা রূপান্তরিত হয়। মাত্র ৫ থেকে ৭% ওষুধ অপরিবর্তিত অবস্থায় প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
নিষ্কাশন (Elimination): এটি মূলত নিষ্ক্রিয় মেটাবোলাইট বা উপজাত হিসেবে প্রস্রাব (৭০%) এবং মলের (২২%) মাধ্যমে শরীর থেকে নিষ্কাশিত হয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রতিদিন ১ টি করে ট্যাবলেট, সাধারণত সকালে সেবন করা শ্রেয়। রোগের তীব্রতা বেশি হলে ইনডাপামাইড অন্য শ্রেণীর উচ্চ রক্তচাপরোধী ওষুধের সাথে একত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে।
শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার:শিশুদের ক্ষেত্রে এই ওষুধের সুরক্ষা এবং কার্যকারিতা এখনও প্রমাণিত বা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার:শিশুদের ক্ষেত্রে এই ওষুধের সুরক্ষা এবং কার্যকারিতা এখনও প্রমাণিত বা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
অন্যান্য উচ্চ রক্তচাপরোধী ওষুধ: হাইপেন এসআর অন্য উচ্চ রক্তচাপরোধী ওষুধের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দিতে পারে। সীমিত কিছু নিয়ন্ত্রিত গবেষণায়, অন্যান্য ওষুধের সাথে হাইপেন এসআর যৌথভাবে ব্যবহার করার পর দেখা গেছে যে, একক ওষুধের তুলনায় যৌথ চিকিৎসায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার প্রকৃতি বা ফ্রিকোয়েন্সিতে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি।
নরএপিনেফ্রিন: থায়াজাইড গ্রুপের ওষুধের মতো হাইপেন এসআরও নরএপিনেফ্রিনের প্রতি ধমনীর সংবেদনশীলতা কমিয়ে দিতে পারে। তবে এই হ্রাস পাওয়ার মাত্রা এতটাই কম যে তা চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই প্রেসর এজেন্টের কার্যকারিতাকে বাধাগ্রস্ত করে না।
নরএপিনেফ্রিন: থায়াজাইড গ্রুপের ওষুধের মতো হাইপেন এসআরও নরএপিনেফ্রিনের প্রতি ধমনীর সংবেদনশীলতা কমিয়ে দিতে পারে। তবে এই হ্রাস পাওয়ার মাত্রা এতটাই কম যে তা চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই প্রেসর এজেন্টের কার্যকারিতাকে বাধাগ্রস্ত করে না।
প্রতিনির্দেশনা
নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে এই ওষুধটি কোনোভাবেই সেবন করা যাবে না:
এই ওষুধ বা সালফোনামাইড (sulphonamides) জাতীয় ওষুধের প্রতি অ্যালার্জি থাকলে।
কিডনি ফেইলিউর বা বিকল হলে।
লিভারের মারাত্মক রোগ থাকলে।
হাইপোক্যালেমিয়া (রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা কম) থাকলে।
এই ওষুধ বা সালফোনামাইড (sulphonamides) জাতীয় ওষুধের প্রতি অ্যালার্জি থাকলে।
কিডনি ফেইলিউর বা বিকল হলে।
লিভারের মারাত্মক রোগ থাকলে।
হাইপোক্যালেমিয়া (রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা কম) থাকলে।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, অ্যানোরেক্সিয়া (ক্ষুধামন্দা), বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া এবং পোস্টুরাল হাইপোটেনশন (হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে রক্তচাপ কমে যাওয়া)।
শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যের পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে হাইপোক্লোরেমিক অ্যালকালোসিস, হাইপোনাট্রেমিয়া (রক্তে সোডিয়াম কমে যাওয়া), হাইপোক্যালেমিয়া (রক্তে পটাশিয়াম কমে যাওয়া) এবং হাইপারইউরিসেমিয়া (রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধি)। এছাড়া অতিসংবেদনশীলতার প্রতিক্রিয়া যেমন—ত্বকে র্যাশ বা ফুসকুড়ি, কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিস এবং রক্তকণিকার অস্বাভাবিকতা (যার মধ্যে থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া, লিউকোপেনিয়া ও অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া অন্তর্ভুক্ত) দেখা দিতে পারে।
শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যের পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে হাইপোক্লোরেমিক অ্যালকালোসিস, হাইপোনাট্রেমিয়া (রক্তে সোডিয়াম কমে যাওয়া), হাইপোক্যালেমিয়া (রক্তে পটাশিয়াম কমে যাওয়া) এবং হাইপারইউরিসেমিয়া (রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধি)। এছাড়া অতিসংবেদনশীলতার প্রতিক্রিয়া যেমন—ত্বকে র্যাশ বা ফুসকুড়ি, কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিস এবং রক্তকণিকার অস্বাভাবিকতা (যার মধ্যে থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া, লিউকোপেনিয়া ও অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া অন্তর্ভুক্ত) দেখা দিতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভবতী নারীদের ওপর পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত কোনো গবেষণা না থাকায় গর্ভাবস্থায় ইনডাপামাইড ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না। যে মায়েরা ইনডাপামাইড সেবন করছেন, তাদের শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত নয়।
সতর্কতা
নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে ওষুধটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত:
- শরীরে পানি বা ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা থাকলে।
- ডায়াবেটিস, গেঁটে বাত (gout) এবং কিডনির সমস্যা থাকলে।
- ওষুধ চলাকালীন রক্তে পটাশিয়াম এবং ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়মিত পরীক্ষা বা পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Thiazide diuretics & related drugs
সংরক্ষণ
আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, ঠাণ্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।
