200 ml bottle:
৳ 400.00
নির্দেশনা
১৪ বছরের বেশি বয়সী কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সুলাফেট নিচের রোগগুলোর চিকিৎসায় নির্দেশিত:
- ডুওডেনাল আলসার
- গ্যাস্ট্রিক আলসার
- ক্রনিক গ্যাস্ট্রাইটিস বা দীর্ঘমেয়াদী পাকস্থলীর প্রদাহ
- গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে স্ট্রেস আলসারজনিত পরিপাকতন্ত্রের রক্তক্ষরণ প্রতিরোধে।
ফার্মাকোলজি
সুক্রালফেট একটি নন-সিস্টেমিক ঔষধ, কারণ এটি পরিপাকতন্ত্র থেকে খুব সামান্য পরিমাণে শোষিত হয়। শোষিত হওয়া এই সামান্য অংশ মূলত প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। সুক্রালফেট আলসারের ক্ষতস্থানে একটি রাসায়নিক যৌগ তৈরির মাধ্যমে আঠারো মতো লেগে থাকে এবং একটি সুরক্ষামূলক প্রাচীর গড়ে তোলে, যা গ্যাস্ট্রিক ও ডুওডেনাল আলসার নিরাময়ে সাহায্য করে। এছাড়া, সুক্রালফেট পেপসিন এবং পিত্তের কার্যকারিতাকে বাধাগ্রস্ত করে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
ডুওডেনাল আলসার, গ্যাস্ট্রিক আলসার এবং ক্রনিক গ্যাস্ট্রাইটিস-
- প্রাপ্তবয়স্ক: সাধারণত ২ গ্রাম করে দিনে দুইবার (সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমানোর সময়) অথবা ১ গ্রাম করে দিনে চারবার (খাবারের ১ ঘণ্টা আগে এবং রাতে ঘুমানোর সময়) সেবন করতে হয়। দৈনিক সর্বোচ্চ মাত্রা হলো ৮ গ্রাম। তবে জটিল রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসাকাল ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে।
- শিশু (১৪ বছরের কম বয়সী): ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে সুক্রালফেটের কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়।
- বয়স্ক রোগী: বয়স্কদের জন্য বিশেষ কোনো মাত্রার প্রয়োজন নেই, তবে অন্যান্য ঔষধের মতোই সবসময় সবচেয়ে কম কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করা উচিত।
- প্রাপ্তবয়স্ক: সাধারণত ১ গ্রাম করে দিনে ৪ থেকে ৬ বার মুখে অথবা ন্যাজোগ্যাস্ট্রিক টিউবের (নাকের নল) মাধ্যমে দিতে হবে। ন্যাজোগ্যাস্ট্রিক টিউবটি যেন বন্ধ বা জ্যাম হয়ে না যায়, সেজন্য প্রতিবার ঔষধ দেওয়ার পর ১০ মিলি পানি দিয়ে টিউবটি পরিষ্কার করতে হবে। এই চিকিৎসার স্থায়িত্ব রোগীর ঝুঁকির ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়। যতদিন স্ট্রেস আলসারের ঝুঁকি থাকবে ততদিন চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে, তবে সাধারণত এটি ১৪ দিনের বেশি হওয়া উচিত নয়।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
সুলাফেট একসাথে সেবনের ফলে কিছু ঔষধের কার্যকারিতা বা শোষণ কমে যেতে পারে। যেমন: ফ্লুরোকুইনোলনস, টেট্রাসাইক্লিন, কিটোকোনাজল, সালপাইরাইড
ডিগক্সিন, ওয়ারফারিন, ফেনাইটোইন, থিওফাইলিন, লেভোথাইরক্সিন, কুইনিডিন এবং H2 ব্লকারস।
অন্যান্য ঔষধ সেবনের ২ ঘণ্টা আগে বা পরে সুলাফেট সেবন করলে এই সমস্যা এড়ানো সম্ভব। সুলাফেট কোনো সাইট্রেট জাতীয় উপাদানের সাথে সেবন করা উচিত নয়, এতে রক্তে অ্যালুমিনিয়ামের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এছাড়া স্ট্রেস আলসার প্রতিরোধে ন্যাজোগ্যাস্ট্রিক টিউবের মাধ্যমে সুলাফেট ও তরল খাবার দেওয়ার মাঝে অন্তত ১ ঘণ্টার ব্যবধান রাখা উচিত, অন্যথায় পরিপাকতন্ত্রে শক্ত পিণ্ড তৈরি হতে পারে।
ডিগক্সিন, ওয়ারফারিন, ফেনাইটোইন, থিওফাইলিন, লেভোথাইরক্সিন, কুইনিডিন এবং H2 ব্লকারস।
অন্যান্য ঔষধ সেবনের ২ ঘণ্টা আগে বা পরে সুলাফেট সেবন করলে এই সমস্যা এড়ানো সম্ভব। সুলাফেট কোনো সাইট্রেট জাতীয় উপাদানের সাথে সেবন করা উচিত নয়, এতে রক্তে অ্যালুমিনিয়ামের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এছাড়া স্ট্রেস আলসার প্রতিরোধে ন্যাজোগ্যাস্ট্রিক টিউবের মাধ্যমে সুলাফেট ও তরল খাবার দেওয়ার মাঝে অন্তত ১ ঘণ্টার ব্যবধান রাখা উচিত, অন্যথায় পরিপাকতন্ত্রে শক্ত পিণ্ড তৈরি হতে পারে।
প্রতিনির্দেশনা
সুক্রালফেটের প্রতি অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা বা অ্যালার্জি থাকলে এই ট্যাবলেট বা সাসপেনশন ব্যবহার করা যাবে না।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- মাথাব্যথা (৩.৪%)
- বমি বমি ভাব (২.৩%)
- পেটে ব্যথা (২.৩%)
- কোষ্ঠকাঠিন্য (১.১%)
- ডায়রিয়া (১.১%)
- আমবাত বা অ্যালার্জি (১.১%)
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা এখনো নিশ্চিত নয়, তাই একান্ত প্রয়োজন হলেই কেবল গর্ভাবস্থায় এটি ব্যবহার করা উচিত। এই ঔষধ মায়ের বুকের দুধে নিঃসৃত হয় কিনা তা জানা যায়নি। তাই স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সুক্রালফেট ব্যবহারের সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
সতর্কতা
কিডনি সমস্যা: কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে অ্যালুমিনিয়াম শোষণের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, তাই সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। যারা ডায়ালাইসিস নিচ্ছেন, তাদের জন্য এটি ব্যবহার না করাই শ্রেয়। তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এবং স্বল্পমেয়াদী চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা উচিত। শরীরে অ্যালুমিনিয়াম জমে গেলে হাড়ের সমস্যা, মস্তিষ্কের রোগ এবং রক্তস্বল্পতা হতে পারে। কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে নিয়মিত রক্তে অ্যালুমিনিয়াম, ফসফেট, ক্যালসিয়াম ইত্যাদির মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত।
অন্যান্য: সুলাফেটের সাথে অন্য কোনো অ্যালুমিনিয়ামযুক্ত ঔষধ খাওয়া উচিত নয়। গুরুতর অসুস্থ বা আইসিইউ-তে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে বেজোয়ার (খাবারের শক্ত পিণ্ড) তৈরির ঝুঁকি থাকে, বিশেষ করে যাদের পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা কম। (নবজাতকদের ক্ষেত্রে সুলাফেট একেবারেই ব্যবহার করা যাবে না)।
অন্যান্য: সুলাফেটের সাথে অন্য কোনো অ্যালুমিনিয়ামযুক্ত ঔষধ খাওয়া উচিত নয়। গুরুতর অসুস্থ বা আইসিইউ-তে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে বেজোয়ার (খাবারের শক্ত পিণ্ড) তৈরির ঝুঁকি থাকে, বিশেষ করে যাদের পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা কম। (নবজাতকদের ক্ষেত্রে সুলাফেট একেবারেই ব্যবহার করা যাবে না)।
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
শিশু: ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সুলাফেট ব্যবহারের পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় এটি ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয় না।
বয়স্ক রোগী: বয়স্কদের ক্ষেত্রে মাত্রার কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
কিডনি বিকলতা: কিডনি বিকল রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
যানবাহন ও যন্ত্রপাতি চালনায় প্রভাব: যদি কোনো রোগী ঔষধটি সেবনের পর মাথা ঘোরা বা ঝিমুনি অনুভব করেন, তবে তার গাড়ি বা যন্ত্রপাতি চালানো উচিত নয়।
বয়স্ক রোগী: বয়স্কদের ক্ষেত্রে মাত্রার কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
কিডনি বিকলতা: কিডনি বিকল রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
যানবাহন ও যন্ত্রপাতি চালনায় প্রভাব: যদি কোনো রোগী ঔষধটি সেবনের পর মাথা ঘোরা বা ঝিমুনি অনুভব করেন, তবে তার গাড়ি বা যন্ত্রপাতি চালানো উচিত নয়।
মাত্রাধিক্যতা
সুস্থ পুরুষদের ওপর করা একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, অতিরিক্ত মাত্রায় সুলাফেট সেবনের পরও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। তবে অল্প কিছু ক্ষেত্রে পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রাণীদের ওপর অতিরিক্ত মাত্রায় (১২ গ্রাম/কেজি ওজন পর্যন্ত) পরীক্ষা করেও কোনো মারাত্মক ঝুঁকি পাওয়া যায়নি। তাই অতিরিক্ত মাত্রার ঝুঁকি অত্যন্ত নগণ্য।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Chelating complex
সংরক্ষণ
আলো থেকে দূরে, ঠাণ্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।
