অ্যাসিট্রেটিন
নির্দেশনা
অ্যাসিট্রেটিন নিম্নোক্ত উপসর্গে নির্দেশিত-
- তীব্র ও ব্যাপক আকারের সোরিয়াসিস যা অন্যান্য চিকিৎসায় ভালো হচ্ছে না।
- পালমো-প্ল্যান্টার পাস্টুলার সোরিয়াসিস (হাতের তালু এবং পায়ের তলায় পুঁজযুক্ত সোরিয়াসিস)।
- তীব্র জন্মগত ইচথিওসিস (ত্বক শুষ্ক ও মাছের আঁশের মতো হয়ে যাওয়া রোগ)।
- তীব্র ড্যারিয়ার্স ডিজিজ (চামড়া বা ত্বকের একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ)।
ফার্মাকোলজি
অ্যাসিট্রেটিন হলো একটি রেটিনয়েড, যা ভিটামিন এ এর একটি অ্যারোমেটিক অ্যানালগ বা সমরূপ। অ্যাসিট্রেটিনের সুনির্দিষ্ট কার্যপ্রণালী অজ্ঞাত, তবে বিভিন্ন কোষীয় এবং উপ-কোষীয় স্তরে এর বিস্তৃত কার্যকারিতার প্রমাণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আরএনএ/ডিএনএ সংশ্লেষণ নিয়ন্ত্রণ, এপিডার্মাল বা ত্বকের কোষের বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণকারী উপাদানগুলোর মডুলেশন, গ্লাইকোপ্রোটিন সংশ্লেষণ পরিবর্তন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সমন্বয় সাধন। কার্যপ্রণালী যা-ই হোক না কেন, অ্যাসিট্রেটিনের সবচেয়ে প্রধান কাজ হলো ত্বকের এপিডার্মিসের কোষীয় বিভাজনকে নিয়ন্ত্রণ করা, যা কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে পুনরায় ফিরিয়ে আনে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক ও প্রবীণ: প্রারম্ভিক দৈনিক মাত্রা হলো ২৫ মি.গ্রা. বা ৩০ মি.গ্রা., যা ২ থেকে ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত সেবন করতে হয়। এই প্রাথমিক চিকিৎসার পর আক্রান্ত ত্বকে উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা যাওয়া উচিত এবং/অথবা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো স্পষ্ট হওয়া উচিত। সাধারণত, সর্বোত্তম ফলাফল পাওয়ার জন্য আরও ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ দৈনিক ২৫-৫০ মি.গ্রা. মাত্রা বজায় রাখা হয়। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাত্রা সর্বোচ্চ দৈনিক ৭৫ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।
ড্যারিয়ার্স ডিজিজে আক্রান্ত রোগী: এদের ক্ষেত্রে ১০ মি.গ্রা. প্রারম্ভিক মাত্রা উপযুক্ত হতে পারে। আইসোমরফিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে বিধায় মাত্রা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাড়াতে হবে।
তীব্র জন্মগত ইচথিওসিস এবং তীব্র ড্যারিয়ার্স ডিজিজে আক্রান্ত রোগী: এদের ক্ষেত্রে ৩ মাসের বেশি সময় চিকিৎসা চালানোর প্রয়োজন হতে পারে। এক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা দিতে হবে, যা দৈনিক ৫০ মি.গ্রা.-এর বেশি হবে না। একটানা ৬ মাসের বেশি এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ, কারণ এর চেয়ে বেশি সময় চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের ওপর সীমিত ক্লিনিক্যাল তথ্য রয়েছে।
শিশু: দৈনিক মাত্রা হলো শরীরের প্রতি কেজি ওজনের জন্য প্রায় ০.৫ মি.গ্রা.। কিছু ক্ষেত্রে সীমিত সময়ের জন্য উচ্চ মাত্রার (দৈনিক সর্বোচ্চ ১ মি.গ্রা./কেজি) প্রয়োজন হতে পারে, তবে তা কোনোভাবেই দৈনিক সর্বোচ্চ ৩৫ মি.গ্রা.-এর বেশি হওয়া যাবে না।
ড্যারিয়ার্স ডিজিজে আক্রান্ত রোগী: এদের ক্ষেত্রে ১০ মি.গ্রা. প্রারম্ভিক মাত্রা উপযুক্ত হতে পারে। আইসোমরফিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে বিধায় মাত্রা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাড়াতে হবে।
তীব্র জন্মগত ইচথিওসিস এবং তীব্র ড্যারিয়ার্স ডিজিজে আক্রান্ত রোগী: এদের ক্ষেত্রে ৩ মাসের বেশি সময় চিকিৎসা চালানোর প্রয়োজন হতে পারে। এক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা দিতে হবে, যা দৈনিক ৫০ মি.গ্রা.-এর বেশি হবে না। একটানা ৬ মাসের বেশি এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ, কারণ এর চেয়ে বেশি সময় চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের ওপর সীমিত ক্লিনিক্যাল তথ্য রয়েছে।
শিশু: দৈনিক মাত্রা হলো শরীরের প্রতি কেজি ওজনের জন্য প্রায় ০.৫ মি.গ্রা.। কিছু ক্ষেত্রে সীমিত সময়ের জন্য উচ্চ মাত্রার (দৈনিক সর্বোচ্চ ১ মি.গ্রা./কেজি) প্রয়োজন হতে পারে, তবে তা কোনোভাবেই দৈনিক সর্বোচ্চ ৩৫ মি.গ্রা.-এর বেশি হওয়া যাবে না।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
বিদ্যমান তথ্য অনুযায়ী, অ্যাসিট্রেটিন সেবনের সাথে অ্যালকোহল বা ইথানল গ্রহণ করলে শরীরে 'এট্রেটিনেট' নামক একটি উপাদানের তৈরি হয় (যা দীর্ঘসময় শরীরে থাকে)। অ্যাসিট্রেটিনের সাথে মেথোট্রেক্সেট, টেট্রাসাইক্লিন অথবা ভিটামিন এ এবং অন্যান্য রেটিনয়েড জাতীয় ওষুধ একসাথে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ফেনিটোইনের সাথে এটি একসাথে ব্যবহার করলে মনে রাখতে হবে যে, অ্যাসিট্রেটিন ফেনিটোইনের প্রোটিন বাইন্ডিং আংশিকভাবে কমিয়ে দেয়।
অ্যাসিট্রেটিন থেরাপি চলাকালীন কম মাত্রার প্রজেস্টেরন-অনলি পিল (মিনিপিল) জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য অপর্যাপ্ত পদ্ধতি হতে পারে। ক্যুমারিন জাতীয় অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট বা রক্ত তরলকারী ওষুধের (যেমন: ওয়ারফারিন) ওপর অ্যাসিট্রেটিনের প্রভাব পরীক্ষা করে কোনো ক্ষতিকর মিথস্ক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
অ্যাসিট্রেটিন থেরাপি চলাকালীন কম মাত্রার প্রজেস্টেরন-অনলি পিল (মিনিপিল) জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য অপর্যাপ্ত পদ্ধতি হতে পারে। ক্যুমারিন জাতীয় অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট বা রক্ত তরলকারী ওষুধের (যেমন: ওয়ারফারিন) ওপর অ্যাসিট্রেটিনের প্রভাব পরীক্ষা করে কোনো ক্ষতিকর মিথস্ক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
প্রতিনির্দেশনা
অ্যাসিট্রেটিন অত্যন্ত তীব্রভাবে ভ্রূণের বিকলাঙ্গতা তৈরি করে, তাই গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে এটি কোনোভাবেই ব্যবহার করা যাবে না।
সন্তান ধারণে সক্ষম নারীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য, যদি না তারা চিকিৎসা শুরু করার ৪ সপ্তাহ আগে থেকে, চিকিৎসা চলাকালীন এবং চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর পরবর্তী ২ বছর পর্যন্ত কঠোরভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি মেনে চলেন।
স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে অ্যাসিট্রেটিন ব্যবহার নিষিদ্ধ।
তীব্র লিভার বা কিডনির জটিলতা এবং রক্তে লিপিড বা চর্বির পরিমাণ দীর্ঘমেয়াদে অস্বাভাবিকভাবে বেশি থাকলে অ্যাসিট্রেটিন ব্যবহার করা যাবে না।
হাইপারভিটামিনোসিস এ (শরীরে ভিটামিন এ-এর বিষাক্ততা) হওয়ার ঝুঁকির কারণে অন্যান্য রেটিনয়েড বা ভিটামিন এ-এর সাথে অ্যাসিট্রেটিন একসাথে সেবন করা নিষিদ্ধ।
এই ওষুধের যেকোনো উপাদানের প্রতি বা অন্য কোনো রেটিনয়েডের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি) থাকলে এটি প্রতিনির্দেশিত।
যেসব রোগীর বংশগত বিরল গ্লুকোজ-গ্যালাকটোজ ম্যালঅ্যাবজর্বশন (শোষণ প্রক্রিয়ার ত্রুটি) রয়েছে, তাদের এই ওষুধটি খাওয়া উচিত নয়।
সন্তান ধারণে সক্ষম নারীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য, যদি না তারা চিকিৎসা শুরু করার ৪ সপ্তাহ আগে থেকে, চিকিৎসা চলাকালীন এবং চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর পরবর্তী ২ বছর পর্যন্ত কঠোরভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি মেনে চলেন।
স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে অ্যাসিট্রেটিন ব্যবহার নিষিদ্ধ।
তীব্র লিভার বা কিডনির জটিলতা এবং রক্তে লিপিড বা চর্বির পরিমাণ দীর্ঘমেয়াদে অস্বাভাবিকভাবে বেশি থাকলে অ্যাসিট্রেটিন ব্যবহার করা যাবে না।
হাইপারভিটামিনোসিস এ (শরীরে ভিটামিন এ-এর বিষাক্ততা) হওয়ার ঝুঁকির কারণে অন্যান্য রেটিনয়েড বা ভিটামিন এ-এর সাথে অ্যাসিট্রেটিন একসাথে সেবন করা নিষিদ্ধ।
এই ওষুধের যেকোনো উপাদানের প্রতি বা অন্য কোনো রেটিনয়েডের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি) থাকলে এটি প্রতিনির্দেশিত।
যেসব রোগীর বংশগত বিরল গ্লুকোজ-গ্যালাকটোজ ম্যালঅ্যাবজর্বশন (শোষণ প্রক্রিয়ার ত্রুটি) রয়েছে, তাদের এই ওষুধটি খাওয়া উচিত নয়।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
অ্যাসিট্রেটিন গ্রহণকারী বেশিরভাগ রোগীর মধ্যেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এর বেশিরভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াই মাত্রার ওপর নির্ভরশীল এবং চিকিৎসকের নির্দেশিত মাত্রায় সাধারণত রোগীরা এটি সহ্য করে নিতে পারেন। তবে, অ্যাসিট্রেটিনের বিষাক্ত মাত্রা এর নিরাময়কারী মাত্রার খুব কাছাকাছি হওয়ায়, মাত্রা নির্ধারণের প্রাথমিক সময়ে বেশিরভাগ রোগীই কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুভব করেন। ত্বক এবং মিউকাস মেমব্রেন (যেমন: ঠোঁট, মুখের ভেতর) সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়। চিকিৎসার শুরুতে কখনো কখনো সোরিয়াসিসের লক্ষণ সাময়িকভাবে আরও খারাপ হতে দেখা যেতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভবতী নারী এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের জন্য অ্যাসিট্রেটিন ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এটি অত্যন্ত তীব্র টেরাটোজেনিক (গর্ভস্থ শিশুর মারাত্মক ক্ষতি ও বিকলাঙ্গতা তৈরি করে)। চিকিৎসা চলাকালীন বা চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর ২ বছরের মধ্যে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এমন নারীদের জন্য এর ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
সতর্কতা
গর্ভাবস্থার আগে বা গর্ভাবস্থায় যেকোনো মেয়াদে বা যেকোনো মাত্রায় অ্যাসিট্রেটিন সেবন করলে বিকলাঙ্গ শিশু জন্ম নেওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি থাকে।
সন্তান ধারণে সক্ষম নারীরা অ্যাসিট্রেটিন দ্বারা চিকিৎসাধীন আছেন এমন কোনো রোগীর রক্ত গ্রহণ করতে পারবেন না। অ্যাসিট্রেটিন সেবন করছেন এমন রোগী চিকিৎসা চলাকালীন এবং চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরবর্তী দুই বছর পর্যন্ত রক্তদান করতে পারবেন না।
রেটিনয়েড চিকিৎসার ফলে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব বৃদ্ধি পায়; তাই রোগীদের অতিরিক্ত সূর্যালোক এড়িয়ে চলতে হবে।
চিকিৎসা শুরু করার আগে, শুরু করার পর প্রথম ২ মাস প্রতি ১-২ সপ্তাহ পর পর এবং এরপর চিকিৎসা চলাকালীন প্রতি ৩ মাস পর পর লিভারের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করতে হবে।
চিকিৎসা শুরুর আগে, শুরুর এক মাস পর এবং চিকিৎসা চলাকালীন প্রতি ৩ মাস পর পর রক্তের কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড (খালি পেটের মান) পরীক্ষা করতে হবে, বিশেষ করে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে এবং দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায়।
রেটিনয়েড গ্লুকোজ সহনশীলতা পরিবর্তন করতে পারে, তাই রক্তের শর্করা পরীক্ষা করা উচিত।
রোগীদের চুল পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনার বিষয়ে আগে থেকে সতর্ক করা উচিত।
অ্যাসিট্রেটিন চিকিৎসায় রাতে দেখার ক্ষমতা কমে যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
যেসব রোগীর তীব্র মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি এবং দৃষ্টিশক্তির সমস্যা দেখা দেবে, তাদের অবিলম্বে অ্যাসিট্রেটিন সেবন বন্ধ করতে হবে।
সন্তান ধারণে সক্ষম নারীরা অ্যাসিট্রেটিন দ্বারা চিকিৎসাধীন আছেন এমন কোনো রোগীর রক্ত গ্রহণ করতে পারবেন না। অ্যাসিট্রেটিন সেবন করছেন এমন রোগী চিকিৎসা চলাকালীন এবং চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরবর্তী দুই বছর পর্যন্ত রক্তদান করতে পারবেন না।
রেটিনয়েড চিকিৎসার ফলে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব বৃদ্ধি পায়; তাই রোগীদের অতিরিক্ত সূর্যালোক এড়িয়ে চলতে হবে।
চিকিৎসা শুরু করার আগে, শুরু করার পর প্রথম ২ মাস প্রতি ১-২ সপ্তাহ পর পর এবং এরপর চিকিৎসা চলাকালীন প্রতি ৩ মাস পর পর লিভারের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করতে হবে।
চিকিৎসা শুরুর আগে, শুরুর এক মাস পর এবং চিকিৎসা চলাকালীন প্রতি ৩ মাস পর পর রক্তের কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড (খালি পেটের মান) পরীক্ষা করতে হবে, বিশেষ করে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে এবং দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায়।
রেটিনয়েড গ্লুকোজ সহনশীলতা পরিবর্তন করতে পারে, তাই রক্তের শর্করা পরীক্ষা করা উচিত।
রোগীদের চুল পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনার বিষয়ে আগে থেকে সতর্ক করা উচিত।
অ্যাসিট্রেটিন চিকিৎসায় রাতে দেখার ক্ষমতা কমে যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
যেসব রোগীর তীব্র মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি এবং দৃষ্টিশক্তির সমস্যা দেখা দেবে, তাদের অবিলম্বে অ্যাসিট্রেটিন সেবন বন্ধ করতে হবে।
মাত্রাধিক্যতা
ভিটামিন এ-এর তীব্র বিষাক্ততার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রচণ্ড মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব বা বমি, ঝিমুনি, খিটখিটে মেজাজ এবং চুলকানি। ভুলবশত বা স্বেচ্ছায় অ্যাসিট্রেটিন অতিরিক্ত মাত্রায় সেবন করলে সম্ভবত একই ধরনের লক্ষণ দেখা যাবে। এই ওষুধের তীব্র বিষাক্ততার হার কম হওয়ায় কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Oral Retinoid preparations
সংরক্ষণ
আলো থেকে দূরে, ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন। ২৫° সে. তাপমাত্রার উপরে সংরক্ষণ করবেন না।
