ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনলেই সতর্ক হোন- ৫টি লক্ষণেই বুঝবেন ভুয়া
28 Nov, 2025
আজকাল নকল ওষুধের সংখ্যা বাড়ছে, যা সাধারণ ক্রেতা ও চিকিৎসকদের জন্যই বড় সমস্যা। অনেক সময় দেখলেই আসল ও নকল ওষুধের মধ্যে পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়, কারণ নকলকারীরা প্যাকেট, ট্যাবলেটের আকার, রঙ এবং বোতলের নকশা খুবই খুঁটিয়ে নকল করে। তবে কিছু সচেতন পদক্ষেপে এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
প্রথমে, বোতলজাত ওষুধ কিনলে সিল বা সীলমোহর ঠিক আছে কি না তা ভালোভাবে পরীক্ষা করুন। সিল টেপে কোনো ফাটল বা ছেঁড়া থাকলে ওষুধ ব্যবহার করবেন না।
দ্বিতীয়ত, মোবাইল অথেনটিকেশন সার্ভিস (MAS) ব্যবহার করে ওষুধ যাচাই করা যায়। অনেক ওষুধ প্রস্তুতকারক প্যাকেটে স্ক্র্যাচ কার্ড সংযুক্ত করে রাখে। কার্ড ঘষে পাওয়া কোডটি নির্দিষ্ট নম্বরে এসএমএস করলে ওষুধ আসল কি না তা সহজেই জানা যায়।
তৃতীয়ত, খাওয়ার পর অস্বাভাবিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করুন। নকল ওষুধে কার্যকর উপাদান থাকে না বা ক্ষতিকর উপাদান থাকতে পারে। যদি অ্যালার্জি, অসুস্থতা বা অন্য অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার বন্ধ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
চতুর্থত, কিউআর কোড ব্যবহার করে ওষুধ যাচাই করা নিরাপদ উপায়। অনেক প্রস্তুতকারক প্যাকেটের ওপর কিউআর কোড ছাপায়। এটি স্ক্যান করলে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে চলে যাওয়া যায়, যেখানে ওষুধটি আসল কি না তা জানা যায়। ইউনিক কিউআর কোড নকল করা প্রায় অসম্ভব, তাই এটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
পঞ্চমত, কোনো সন্দেহ হলে ওষুধটি ব্যবহার না করে চিকিৎসক, ফার্মেসি বা প্রস্তুতকারক সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ব্যাচ নম্বর দিয়ে তারা সহজেই ওষুধের সত্যতা যাচাই করতে পারে। প্রয়োজনে স্থানীয় ‘Buy Safely’ ওয়েবসাইট থেকেও ওষুধ নিষ্পত্তি কেন্দ্র খুঁজে নেওয়া যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভুয়া ওষুধের ব্যাচ নম্বর অনেক সময় অকার্যকর বা নকল হয়। প্রস্তুতকারক সংস্থা তাদের রেকর্ডের মাধ্যমে সহজেই তা শনাক্ত করতে পারে।
সুতরাং, ওষুধ কেনার সময় সতর্ক থাকুন, নকল চিনতে শিখুন- এটি আপনার এবং পরিবারের সুস্থতার জন্য খুবই জরুরি।
Source: dailyjanakantha.com
প্রথমে, বোতলজাত ওষুধ কিনলে সিল বা সীলমোহর ঠিক আছে কি না তা ভালোভাবে পরীক্ষা করুন। সিল টেপে কোনো ফাটল বা ছেঁড়া থাকলে ওষুধ ব্যবহার করবেন না।
দ্বিতীয়ত, মোবাইল অথেনটিকেশন সার্ভিস (MAS) ব্যবহার করে ওষুধ যাচাই করা যায়। অনেক ওষুধ প্রস্তুতকারক প্যাকেটে স্ক্র্যাচ কার্ড সংযুক্ত করে রাখে। কার্ড ঘষে পাওয়া কোডটি নির্দিষ্ট নম্বরে এসএমএস করলে ওষুধ আসল কি না তা সহজেই জানা যায়।
তৃতীয়ত, খাওয়ার পর অস্বাভাবিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করুন। নকল ওষুধে কার্যকর উপাদান থাকে না বা ক্ষতিকর উপাদান থাকতে পারে। যদি অ্যালার্জি, অসুস্থতা বা অন্য অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার বন্ধ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
চতুর্থত, কিউআর কোড ব্যবহার করে ওষুধ যাচাই করা নিরাপদ উপায়। অনেক প্রস্তুতকারক প্যাকেটের ওপর কিউআর কোড ছাপায়। এটি স্ক্যান করলে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে চলে যাওয়া যায়, যেখানে ওষুধটি আসল কি না তা জানা যায়। ইউনিক কিউআর কোড নকল করা প্রায় অসম্ভব, তাই এটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
পঞ্চমত, কোনো সন্দেহ হলে ওষুধটি ব্যবহার না করে চিকিৎসক, ফার্মেসি বা প্রস্তুতকারক সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ব্যাচ নম্বর দিয়ে তারা সহজেই ওষুধের সত্যতা যাচাই করতে পারে। প্রয়োজনে স্থানীয় ‘Buy Safely’ ওয়েবসাইট থেকেও ওষুধ নিষ্পত্তি কেন্দ্র খুঁজে নেওয়া যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভুয়া ওষুধের ব্যাচ নম্বর অনেক সময় অকার্যকর বা নকল হয়। প্রস্তুতকারক সংস্থা তাদের রেকর্ডের মাধ্যমে সহজেই তা শনাক্ত করতে পারে।
সুতরাং, ওষুধ কেনার সময় সতর্ক থাকুন, নকল চিনতে শিখুন- এটি আপনার এবং পরিবারের সুস্থতার জন্য খুবই জরুরি।
Source: dailyjanakantha.com