Unit Price: ৳ 35.00 (3 x 10: ৳ 1,050.00)
Strip Price: ৳ 350.00
Also available as:

নির্দেশনা

লুরাডক্স একটি অ্যাটিপিক্যাল অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ, যা নিচের রোগগুলোর চিকিৎসায় নির্দেশিত:
  • সিজোফ্রেনিয়া 
  • বাইপোলার-১ ডিসঅর্ডার জনিত ডিপ্রেসিভ এপিসোড (বাইপোলার ডিপ্রেশন): একক চিকিৎসা হিসেবে অথবা লিথিয়াম বা ভ্যালপ্রোয়েটের সাথে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে।

ফার্মাকোলজি

সিজোফ্রেনিয়া এবং বাইপোলার ডিপ্রেশনের চিকিৎসায় লুরাসিডোন এর সঠিক কার্যপ্রণালী এখনো অজানা। তবে, ধারণা করা হয় যে মস্তিষ্কের ডোপামিন টাইপ-২ (D2) এবং সেরোটোনিন টাইপ-২ (5HT2A) রিসেপ্টরের কার্যকারিতাকে বাধা দেওয়ার একটি সম্মিলিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি সিজোফ্রেনিয়া এবং বাইপোলার ডিপ্রেশনে কার্যকারিতা প্রদর্শন করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

লুরাসিডোন অবশ্যই খাবারের সাথে (অনূন্য ৩৫০ ক্যালোরি সমৃদ্ধ খাবার) সেবন করতে হবে। খাবারের সাথে সেবন করলে লুরাসিডনের শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
  • সিজোফ্রেনিয়া: লুরাসিডনের সুপারিশকৃত প্রারম্ভিক মাত্রা হলো দৈনিক ১ বার ৪০ মিলিগ্রাম। শুরুর দিকে মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ানোরব প্রয়োজন নেই। দৈনিক সর্বোচ্চ সুপারিশকৃত মাত্রা হলো ১৬০ মিলিগ্রাম।
  • বাইপোলার-১ ডিসঅর্ডার জনিত ডিপ্রেসিভ এপিসোড: একক চিকিৎসা হিসেবে অথবা লিথিয়াম বা ভ্যালপ্রোয়েটের সাথে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে লুরাসিডনের সুপারিশকৃত প্রারম্ভিক মাত্রা হলো দৈনিক ১ বার ২০ মিলিগ্রাম। শুরুতে মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। একক বা যৌথ উভয় চিকিৎসার ক্ষেত্রেই দৈনিক সর্বোচ্চ সুপারিশকৃত মাত্রা হলো ১২০ মিলিগ্রাম।
  • মাঝারি ও তীব্র কিডনি বৈকল্য: সুপারিশকৃত প্রারম্ভিক মাত্রা দৈনিক ২০ মিলিগ্রাম এবং সর্বোচ্চ সুপারিশকৃত মাত্রা দৈনিক ৮০ মিলিগ্রাম।
  • মাঝারি ও তীব্র লিভার বৈকল্য: সুপারিশকৃত প্রারম্ভিক মাত্রা দৈনিক ২০ মিলিগ্রাম। মাঝারি লিভার বৈকল্যের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুপারিশকৃত মাত্রা দৈনিক ৮০ মিলিগ্রাম এবং তীব্র লিভার বৈকল্যের ক্ষেত্রে দৈনিক ৪০ মিলিগ্রাম।
  • শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার: শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

CYP3A4 এনজাইমের মাঝারি ইনহিবিটর বা বাধা প্রদানকারী ওষুধসমূহ (যেমন: ডিলটিয়াজেম, আটাজানাভির, ইরিথ্রোমাইসিন, ফ্লুকোনাজল, ভেরাপামিল ইত্যাদি) একসাথে ব্যবহার করলে লুরাসিডোন এর মাত্রা আসল পরিমাণের অর্ধেক (৫০%) কমিয়ে আনতে হবে। অন্যদিকে, যদি এটি কোনো মাঝারি CYP3A4 ইন্ডিউসার বা উদ্দীপক ওষুধের সাথে ব্যবহার করা হয়, তবে লুরাসিডোন এর মাত্রা বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।

গ্রেপফ্রুট (জ্যাম্বুরা/রক্তিম আঙুরফল): লুরাসিডোন সেবনকারী রোগীদের গ্রেপফ্রুট এবং এর জুস পরিহার করা উচিত; কারণ এগুলো CYP3A4 এনজাইমকে বাধা দিয়ে রক্তে লুরাসিডোন এর ঘনত্ব পরিবর্তন করে দিতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

ওষুধের যেকোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা।
শক্তিশালী CYP3A4 ইনহিবিটর (যেমন: কিটোকোনাজল) এর সাথে সমসাময়িক ব্যবহার।
শক্তিশালী CYP3A4 ইন্ডিউসার (যেমন: রিফাম্পিসিন) এর সাথে সমসাময়িক ব্যবহার।
ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ জনিত সাইকোসিস (Dementia-related psychosis)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সাধারণত দেখা যাওয়া পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে- ঝিমুনি বা অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব , এক্যাথিসিয়া বা একস্থানে স্থির হয়ে বসতে না পারা, এক্সট্রাপিরামিডাল লক্ষণ (মাংসপেশির জড়তা/কাঁপুনি) এবং বমি বমি ভাব ইত্যাদি।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

প্রেগন্যান্সি ক্যাটাগরি 'B'। গর্ভাবস্থায় লুরাসিডোন কেবল তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন এর সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির তুলনায় বেশি বা যুক্তিযুক্ত হয়। লুরাসিডোন সেবনকালীন মায়েদের শিশুকে বুকের দুধ না খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া উচিত।

সতর্কতা

ডিমেনশিয়া জনিত সাইকোসিসে আক্রান্ত প্রবীণ রোগীদের ক্ষেত্রে সেরিব্রোভাসকুলার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: স্ট্রোক বা ট্রানজিয়েন্ট ইস্কেমিক অ্যাটাকের মতো সেরিব্রোভাসকুলার বা মস্তিষ্কের রক্তনালী সংক্রান্ত জটিলতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।

নিউরোলেপ্টিক ম্যালিগন্যান্ট সিন্ড্রোম: এই জটিলতা দেখা দিলে অবিলম্বে ওষুধ সেবন বন্ধ করতে হবে এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।

টারডিভ ডিসকাইনেসিয়া: মুখ বা শরীরের পেশির অনিয়ন্ত্রিত নড়াচড়া দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ বন্ধ করে দিতে হবে।

বিপাকীয় বা মেটাবলিক পরিবর্তন: অ্যাটিপিক্যাল অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধগুলো বিপাকীয় পরিবর্তনের সাথে জড়িত, যা কার্ডিওভাসকুলার বা সেরিব্রোভাসকুলার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। এই পরিবর্তনগুলোর মধ্যে রয়েছে:
  • হাইপারগ্লাইসেমিয়া এবং ডায়াবেটিস মেলিসটাস: অতিরিক্ত তৃষ্ণা, ঘন ঘন প্রস্রাব, অতিরিক্ত ক্ষুধা এবং দুর্বলতার মতো হাইপারগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণগুলো পর্যবেক্ষণ করুন। ডায়াবেটিস আক্রান্ত বা ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের নিয়মিত রক্তের শর্করা পরীক্ষা করুন।
  • ডিসলিপিডেমিয়া: রক্তে চর্বি বা লিপিডের মাত্রায় ক্ষতিকর পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।
  • ওজন বৃদ্ধি: শরীরের ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই নিয়মিত ওজন পর্যবেক্ষণ করুন।
হাইপারপ্রোল্যাক্টিনেমিয়া: রক্তে প্রোল্যাক্টিন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

লিউকো পেনিয়া, নিউট্রোপেনিয়া এবং অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিস: যেসব রোগীর আগে থেকেই রক্তে শ্বেতকণিকার (WBC) মাত্রা কম ছিল বা এই জাতীয় সমস্যার ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (CBC) পরীক্ষা করতে হবে। অন্য কোনো কারণ ছাড়া শ্বেতকণিকার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে লুরাসিডোন বন্ধ করার কথা বিবেচনা করতে হবে।

অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন এবং সিনকোপ: বিশেষ করে চিকিৎসার শুরুর দিকে মাথা ঘোরা, হৃদস্পন্দন দ্রুত বা ধীর হওয়া এবং অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার (syncope) মতো ঘটনা ঘটতে পারে। হৃদরোগ বা মস্তিষ্কের রক্তনালীর রোগে আক্রান্ত রোগী এবং যারা প্রথমবার অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ খাচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে কম প্রারম্ভিক মাত্রা ও ধীরে ধীরে মাত্রা বাড়ানোর কথা বিবেচনা করা উচিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Atypical neuroleptic drugs

সংরক্ষণ

৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন। আলো থেকে দূরে রাখুন।
Pack Image of Luradox 40 mg Tablet Pack Image: Luradox 40 mg Tablet
Thanks for using MedEx!
How would you rate your experience so far?