10 gm tube:
৳ 1,000.00
নির্দেশনা
পিমেক ক্রীম মৃদু ও মাঝারি এটপিক ডার্মাটাইটিসের স্বল্পমেয়াদী চিকিৎসায় দ্বিতীয় পর্যায়ের ওষুধ হিসেবে নির্দেশিত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পেয়েছে এমন রোগীর ক্ষেত্রে এবং দুই বছরের ঊর্দ্ধে শিশুদের ক্ষেত্রে উক্ত রোগে নির্দেশিত অন্য ওষুধে আশানুরূপ ফল না পেলে অথবা অন্য ওষুধ না দেয়া গেলে পিমেক ক্রীম ব্যবহার করা যাবে।
ফার্মাকোলজি
এটপিক ডার্মাটাইটিসের উপরে পিমেক্রলিমাসের সঠিক কার্যবিধি অজানা। তবে ধারনা করা হয় এটি মেক্রফিলিন-১২ (এফকেবিপি-১২) এর সাথে যুক্ত হয়ে ক্যালসিয়াম ডিপেন্ডেন্ট ফসফেট ও ক্যালসিনিউরিনকে বাঁধা প্রদান করে। যার ফলে টি-সেল সক্রিয় হতে পারে না। বিশেষভাবে পিমেক্রলিমাস মানব দেহে টি-সেলে ইন্টারলিউকিন-২, ইন্টারফেরন গামা (টিএইচ-১), ইন্টারলিউকিন-৪ এবং ইন্টারলিউকিন-১০ (টিএইচ-২) প্রভৃতি সাইটোকাইন সংশ্লেষণ হতে দেয় না। এছাড়া পিমেক্রলিমাস এন্টিজেনের প্রভাবে উৎপন্ন হয় এমন সাইটোকাইন এবং মাস্ট সেল নিঃসৃত মেডিয়েটরের নিঃসরণ বন্ধ করে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
পিমেক্রলিমাস ক্রীম ব্যবহারের পূর্বে আক্রান্ত স্থান ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। আঙ্গুলের অগ্রভাগে একক পরিমাণ (তর্জনির অগ্রভাগ হতে প্রথম খাঁজ পর্যন্ত) ক্রীম নিয়ে আক্রান্ত স্থানে পাতলা আবরণ করে দৈনিক দুইবার (অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী) ব্যবহার করতে হবে। রোগের লক্ষণ (চুলকানি, লালচে ভাব, র্যাশ) উপশম হওয়ার সাথে সাথে চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে। লক্ষণ যদি ৬ সপ্তাহের বেশি থেকে যায়, তবে পুনরায় পরীক্ষা করে এটপিক ডার্মাটাইটিস ব্যাতিরেকে অন্য চর্মরোগ কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে। পিমেক্রলিমাস ক্রীম ব্যবহারের সময় সানল্যাম্প, ট্যানিং বেডস অথবা অতিবেগুনি রশ্মির ব্যবহার নিষেধ। পিমেক্রলিমাস ক্রীমের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার পরিহার করতে হবে। আঁটশাট পোশাক, ব্যান্ডেজ অথবা র্যাপ দিয়ে আক্রান্ত স্থান ঢাকা যাবে না। সূর্যরশ্মি প্রতিরোধক ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান করতে হবে।
শিশু ও বয়ঃসন্ধিকালীন ব্যবহার: পিমেক্রলিমাস ক্রীম দুই বছরের নিচে শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার নির্দেশিত নয়।
শিশু ও বয়ঃসন্ধিকালীন ব্যবহার: পিমেক্রলিমাস ক্রীম দুই বছরের নিচে শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার নির্দেশিত নয়।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
যেহেতু কিছু রোগীদের ক্ষেত্রে খুব সামান্য পরিমাণ পিমেক রক্তে নিঃসৃত হতে পারে সেহেতু অন্য ওষুধের সাথে গুরুতর প্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা কম। ইরাইথ্রোমাইসিন, ইট্রাকোনাজল, কিটোকোনাজল, ফ্লুকোনাজল, ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার এবং সিমেটিডিন ওষুধের সাথে পিমেকের ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে।
প্রতিনির্দেশনা
পিমেক্রলিমাস ক্রীম বা এ ওষুধে রয়েছে এমন যেকোন উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা থাকলে ক্রীমটি ব্যবহার করা যাবে না।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
চিকিৎসার স্থানে জ্বালাপোড়া বা গরম অনুভূত হতে পারে। উপসর্গগুলো লঘু থেকে মাঝারি, সাধারণত চিকিৎসা শুরুর প্রথম কয়েক দিনে দেখা দেয়, তবে চিকিৎসা বন্ধ করে দিলে উপসর্গগুলো চলে যায়। বিরল ক্ষেত্রে মাথা ব্যাথা, সাধারন সর্দি অথবা নাসারন্ধ্র বন্ধ, গলাব্যাথা, কাশি, ফ্লু (ইনফ্লুয়েঞ্জা), জ্বর ও ভাইরাল ইনফেকশন হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
প্রেগন্যান্সি ক্যাটাগরি সি। ক্রীমটি মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয় কি না তার কোন সঠিক নিরীক্ষা নেই। একই সাথে স্তন্যদান ও চিকিৎসা চালানো যাবে না।
সতর্কতা
ত্বকের ম্যালিগনেন্ট/প্রি-ম্যালিগনেন্ট কনডিশন যেমন: কিউটেনিয়াস টি-সেল লিম্ফোমা (সিটিসিএল), নেথারটনস সিনড্রোম, ব্যাকটেরিয়াল ও ভাইরাল ইনফেকশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে অথবা ত্বক দিয়ে শোষিত হবার ঝঁকি রয়েছে এমন ক্ষেত্রে পিমেক ক্রীম ব্যবহার করা যাবে না। চোখে, নাকে, মুখে, যোনিপথ বা পায়ুপথে ক্রীম প্রয়োগ করা যাবে না।
মাত্রাধিক্যতা
রোগীদের ক্ষেত্রে পিমেকের অতিমাত্রার কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। জরুরী ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Drugs affecting the immune response
সংরক্ষণ
৩০°সে. তাপমাত্রার নিচে, আলো থেকে দূরে ও শুষ্ক স্থানে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
