Unit Price:
৳ 30.00
(2 x 10: ৳ 600.00)
Strip Price:
৳ 300.00
Also available as:
নির্দেশনা
ওবেটিক ট্যাবলেট প্রাপ্তবয়স্ক প্রাইমারি বিলিয়ারি কোলাঞ্জাইটিস (PBC) রোগীদের চিকিৎসার জন্য নির্দেশিত, যাদের সিরোসিস নেই অথবা কমপেনসেটেড সিরোসিস আছে কিন্তু পোর্টাল হাইপারটেনশনের কোনো লক্ষণ নেই।
এটি মূলত দুইভাবে ব্যবহৃত হয়:
এটি মূলত দুইভাবে ব্যবহৃত হয়:
- আর্সোডিঅক্সিকোলিক অ্যাসিড (UDCA)-এর সাথে কম্বিনেশন হিসেবে (যদি UDCA ব্যবহারের পরও পর্যাপ্ত কার্যকারিতা না পাওয়া যায়)।
- একক থেরাপি হিসেবে (যেসব রোগী UDCA সহ্য করতে পারেন না)।
ফার্মাকোলজি
ওবেটিকলিক এসিড হলো ফার্নেসয়েড এক্স রিসেপ্টর (FXR)-এর একটি অ্যাগোনিস্ট। এই নিউক্লিয়ার রিসেপ্টরটি লিভার (যকৃৎ) এবং অন্ত্রে থাকে। FXR হলো পিত্ত অম্ল (bile acid), প্রদাহজনিত, ফাইব্রোটিক এবং মেটাবলিক প্রক্রিয়ার একটি প্রধান নিয়ন্ত্রক। FXR সক্রিয় করার মাধ্যমে এটি কোলেস্টেরল থেকে নতুন পিত্ত অম্ল তৈরিতে বাধা দেয় এবং যকৃতের কোষ (hepatocytes) থেকে পিত্ত অম্লের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে শরীরের রক্তে চলাচলকারী পিত্ত অম্লের সামগ্রিক পরিমাণ কমে যায় এবং পিত্ত প্রবাহ (choleresis) বৃদ্ধি পায়, যা লিভারকে পিত্ত অম্লের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।
ফার্মাকোডাইনামিক মার্কার: ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে, প্রতিদিন একবার ১০ মিলিগ্রাম ওবেটিকলিক এসিড ব্যবহারের ফলে ১২তম মাসে বেসলাইনের তুলনায় FGF-19 (একটি FXR-প্রেরিত এন্টারোকাইন যা পিত্ত অম্লের ভারসাম্য বজায় রাখে) এর ঘনত্ব ১৭৩% বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে এই ফলাফলের সুনির্দিষ্ট ক্লিনিক্যাল গুরুত্ব এখনও অজানা।
কার্ডিয়াক ইলেক্ট্রোফিজিওলজি: সর্বোচ্চ নির্দেশিত মাত্রার চেয়ে ১০ গুণ বেশি মাত্রায় ওবেটিকলিক এসিড প্রয়োগ করলেও এটি হার্টের QT ইন্টারভাল (QT interval) ক্ষতিকরভাবে বৃদ্ধি করে না।
ফার্মাকোডাইনামিক মার্কার: ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে, প্রতিদিন একবার ১০ মিলিগ্রাম ওবেটিকলিক এসিড ব্যবহারের ফলে ১২তম মাসে বেসলাইনের তুলনায় FGF-19 (একটি FXR-প্রেরিত এন্টারোকাইন যা পিত্ত অম্লের ভারসাম্য বজায় রাখে) এর ঘনত্ব ১৭৩% বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে এই ফলাফলের সুনির্দিষ্ট ক্লিনিক্যাল গুরুত্ব এখনও অজানা।
কার্ডিয়াক ইলেক্ট্রোফিজিওলজি: সর্বোচ্চ নির্দেশিত মাত্রার চেয়ে ১০ গুণ বেশি মাত্রায় ওবেটিকলিক এসিড প্রয়োগ করলেও এটি হার্টের QT ইন্টারভাল (QT interval) ক্ষতিকরভাবে বৃদ্ধি করে না।
মাত্রা ও সেবনবিধি
ওবেটিকলিক এসিড চিকিৎসা শুরু করার আগে রোগীকে পরীক্ষা করে দেখতে হবে যে তার ডিকম্পেনসেটেড সিরোসিস (যেমন: Child-Pugh Class B বা C), পূর্বে কোনো ডিকম্পেনসেশন ইভেন্ট বা পোর্টাল হাইপারটেনশনসহ কমপেনসেটেড সিরোসিস (যেমন: অ্যাসাইটিস/পেটে পানি আসা, গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল ভ্যারিসেস, স্থায়ী থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া) আছে কিনা। কারণ এই ধরনের রোগীদের জন্য ওবেটিকলিক এসিড ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ বা প্রতিনির্দেশিত।
যেসব পিবিসি (PBC) রোগীর সিরোসিস নেই অথবা পোর্টাল হাইপারটেনশনবিহীন কমপেনসেটেড সিরোসিস আছে এবং কমপক্ষে ১ বছর ধরে UDCA ব্যবহারের পরও ভালো ফলাফল পাননি বা UDCA সহ্য করতে পারেন না, তাদের জন্য মাত্রা নিম্নরূপ:
অসহনীয় চুলকানির ব্যবস্থাপনা: ওষুধ খাওয়ার ফলে তীব্র বা অসহনীয় চুলকানি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিহিস্টামিন বা বাইল অ্যাসিড-বাইন্ডিং রেজিন ব্যবহার করা যেতে পারে অথবা ওষুধের মাত্রা সাময়িকভাবে কমানো বা বন্ধ রাখা যেতে পারে।
যেসব পিবিসি (PBC) রোগীর সিরোসিস নেই অথবা পোর্টাল হাইপারটেনশনবিহীন কমপেনসেটেড সিরোসিস আছে এবং কমপক্ষে ১ বছর ধরে UDCA ব্যবহারের পরও ভালো ফলাফল পাননি বা UDCA সহ্য করতে পারেন না, তাদের জন্য মাত্রা নিম্নরূপ:
- প্রথম ৩ মাস: প্রতিদিন ১ বার ৫ মিলিগ্রাম করে শুরু করতে হবে।
- ৩ মাস পর: যদি রোগীর এএলপি (ALP) এবং/অথবা টোটাল বিলিরুবিন পর্যাপ্ত পরিমাণে না কমে এবং রোগী ওষুধটি ভালোভাবে সহ্য করতে পারেন, তবে মাত্রা বাড়িয়ে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ মিলিগ্রাম করা যেতে পারে।
অসহনীয় চুলকানির ব্যবস্থাপনা: ওষুধ খাওয়ার ফলে তীব্র বা অসহনীয় চুলকানি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিহিস্টামিন বা বাইল অ্যাসিড-বাইন্ডিং রেজিন ব্যবহার করা যেতে পারে অথবা ওষুধের মাত্রা সাময়িকভাবে কমানো বা বন্ধ রাখা যেতে পারে।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
বাইল অ্যাসিড বাইন্ডিং রেজিন: কোলেস্টাইরামিন, কোলেস্টিপল বা কোলেসেভেলাম জাতীয় ওষুধ ওবেটিকের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। তাই ওবেটিক এই ওষুধগুলো সেবনের অন্তত ৪ ঘণ্টা আগে বা ৪ ঘণ্টা পরে সেবন করা উচিত।
ওয়ারফারিন: ওবেটিকের সাথে ওয়ারফারিন ব্যবহার করলে রক্তের জমাট বাঁধার সূচক (INR) কমে যেতে পারে। তাই নিয়মিত INR পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
CYP1A2 সাবস্ট্রেট: ওবেটিক থিওফিলাইন এবং টিজানিডিনের মতো ওষুধের কার্যকারিতা ও রক্তে এর মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
বাইল সল্ট এফ্লাক্স পাম্প (BSEP) ইনহিবিটর: সাইক্লোস্পোরিনের মতো ওষুধগুলোর সাথে ওবেটিকের সহ-ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এটি লিভারে পিত্ত লবণের ক্ষতিকর জমাট বাঁধাতে পারে।
ওয়ারফারিন: ওবেটিকের সাথে ওয়ারফারিন ব্যবহার করলে রক্তের জমাট বাঁধার সূচক (INR) কমে যেতে পারে। তাই নিয়মিত INR পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
CYP1A2 সাবস্ট্রেট: ওবেটিক থিওফিলাইন এবং টিজানিডিনের মতো ওষুধের কার্যকারিতা ও রক্তে এর মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
বাইল সল্ট এফ্লাক্স পাম্প (BSEP) ইনহিবিটর: সাইক্লোস্পোরিনের মতো ওষুধগুলোর সাথে ওবেটিকের সহ-ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এটি লিভারে পিত্ত লবণের ক্ষতিকর জমাট বাঁধাতে পারে।
প্রতিনির্দেশনা
নিম্নলিখিত রোগীদের ক্ষেত্রে ওবেটিকলিক এসিডের ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ:
- ডিকম্পেনসেটেড সিরোসিস (যেমন: Child-Pugh Class B বা C) বা পূর্বে কোনো ডিকম্পেনসেশন ইভেন্ট থাকলে।
- পোর্টাল হাইপারটেনশনের লক্ষণযুক্ত কমপেনসেটেড সিরোসিস (যেমন: অ্যাসাইটিস, গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল ভ্যারিসেস, স্থায়ী থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া)।
- সম্পূর্ণ পিত্তনালী অবরোধ।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- চুলকানি
- ক্লান্তি
- পেটে ব্যথা ও অস্বস্তি
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে ওবেটিকলিক এসিডের ব্যবহারের পর্যাপ্ত তথ্য নেই। প্রাণীদের ওপর গবেষণায় ভ্রূণের কোনো ক্ষতি দেখা যায়নি, তবে গর্ভাবস্থায় এটি ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
স্তন্যদানকাল: মানবদুগ্ধে ওবেটিকলিক এসিড নিঃসৃত হয় কিনা তা জানা যায়নি। স্তন্যদানকারী মায়ের ক্ষেত্রে ওষুধটির প্রয়োজনীয়তা এবং শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
স্তন্যদানকাল: মানবদুগ্ধে ওবেটিকলিক এসিড নিঃসৃত হয় কিনা তা জানা যায়নি। স্তন্যদানকারী মায়ের ক্ষেত্রে ওষুধটির প্রয়োজনীয়তা এবং শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
সতর্কতা
যকৃতের মারাত্মক ক্ষতি: সিরোসিস আক্রান্ত পিবিসি রোগীদের ক্ষেত্রে ওবেটিক ব্যবহারের ফলে যকৃতের কার্যক্ষমতা সম্পূর্ণ নষ্ট হওয়া বা লিভার ফেইলিউরের মতো মারাত্মক ঘটনা ঘটতে পারে, যা কখনো কখনো মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
তীব্র চুলকানি: ওবেটিক ব্যবহারের ফলে রোগীদের তীব্র চুলকানি হতে পারে, যা দৈনন্দিন কাজকর্ম বা ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়।
ভালো কোলেস্টেরল (HDL-C) হ্রাস: এই ওষুধ সেবনের ফলে রক্তে উচ্চ-ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন-কোলেস্টেরল (HDL-C) বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যেতে পারে। তাই নিয়মিত লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করা উচিত।
তীব্র চুলকানি: ওবেটিক ব্যবহারের ফলে রোগীদের তীব্র চুলকানি হতে পারে, যা দৈনন্দিন কাজকর্ম বা ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়।
ভালো কোলেস্টেরল (HDL-C) হ্রাস: এই ওষুধ সেবনের ফলে রক্তে উচ্চ-ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন-কোলেস্টেরল (HDL-C) বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যেতে পারে। তাই নিয়মিত লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করা উচিত।
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
শিশু কিশোরদের ক্ষেত্রে: শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে এই ওষুধের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনও প্রমাণিত নয়।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে: ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো তারতম্য দেখা যায়নি, তবে কিছু ক্ষেত্রে বয়স্ক ব্যক্তিদের সংবেদনশীলতা বেশি হতে পারে।
যকৃতের দুর্বলতা: লিভারের গুরুতর সমস্যা বা ডিকম্পেনসেটেড সিরোসিস রোগীদের জন্য এটি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে: ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো তারতম্য দেখা যায়নি, তবে কিছু ক্ষেত্রে বয়স্ক ব্যক্তিদের সংবেদনশীলতা বেশি হতে পারে।
যকৃতের দুর্বলতা: লিভারের গুরুতর সমস্যা বা ডিকম্পেনসেটেড সিরোসিস রোগীদের জন্য এটি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
মাত্রাধিক্যতা
নির্দেশিত মাত্রার চেয়ে বেশি (যেমন ২৫ মি.গ্রা. বা ৫০ মি.গ্রা.) সেবন করলে যকৃতের বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন জন্ডিস, পেটে পানি আসা, পোর্টাল হাইপারটেনশন এবং পিবিসি ফ্লেয়ারের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। অতিরিক্ত মাত্রার ক্ষেত্রে রোগীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে এবং লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা দিতে হবে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Farnesoid X Receptor Agonists
সংরক্ষণ
৩০° সেলসিয়াসের নিচে, শুষ্ক ও আলো থেকে দূরে পরিষ্কার স্থানে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
Pack Images: Obetic 5 mg Tablet
