ইমোটিল প্লাস ট্যাবলেট
Pack Image
২ মি.গ্রা.+১২৫ মি.গ্রা.
Unit Price:
৳ 5.00
(5 x 10: ৳ 250.00)
Strip Price:
৳ 50.00
নির্দেশনা
১২ বছরের বেশি বয়সী কিশোর-কিশোরী এবং প্রাপ্তবয়স্কদের তীব্র ডায়রিয়ার উপসর্গজনিত চিকিৎসার জন্য এটি নির্দেশিত- যখন ডায়রিয়ার সাথে পেট ফাঁপা, পেট কামড়ানো বা গ্যাসজনিত পেটের অস্বস্তি থাকে।
ফার্মাকোলজি
লােপেরামাইড অন্ত্রের দেয়ালের ওপিয়েট রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়ে অন্ত্রের স্বাভাবিক নড়াচড়া কমিয়ে দেয়। এর ফলে মল অন্ত্রে বেশি সময় থাকে এবং পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট শোষণ বৃদ্ধি পায়। লােপেরামাইড মলদ্বারের পেশির সংকোচন ক্ষমতা বাড়ায়।
সিমেথিকন একটি সারফেস-অ্যাক্টিভ উপাদান যা ফেনাবিরোধী বৈশিষ্ট্যযুক্ত, যা ডায়রিয়ার সাথে যুক্ত গ্যাসজনিত উপসর্গ উপশম করতে সাহায্য করে।
অধিকাংশ সেবনকৃত লােপেরামাইড অন্ত্র থেকে শোষিত হয়। তবে লিভারে ফাস্ট পাস মেটাবলিজমের কারণে এর সিস্টেমিক কার্যকারিতা মাত্র প্রায় ০.৩%। সিমেথিকন শরীর দ্বারা শোষিত হয় না। লােপেরামাইডের প্লাজমা প্রোটিন বাইন্ডিং ৯৫%। এটি লিভারের মাধ্যমে প্রায় সম্পূর্ণ নিষ্কাশিত ও রূপান্তরিত হয়ে পিত্তের মাধ্যমে নিঃসৃত হয়। লােপেরামাইডের হাফ-লাইফ প্রায় ১১ ঘণ্টা। অপরিবর্তিত লােপেরামাইড এবং এর রূপান্তরিত উপাদান মূলত মলের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
সিমেথিকন একটি সারফেস-অ্যাক্টিভ উপাদান যা ফেনাবিরোধী বৈশিষ্ট্যযুক্ত, যা ডায়রিয়ার সাথে যুক্ত গ্যাসজনিত উপসর্গ উপশম করতে সাহায্য করে।
অধিকাংশ সেবনকৃত লােপেরামাইড অন্ত্র থেকে শোষিত হয়। তবে লিভারে ফাস্ট পাস মেটাবলিজমের কারণে এর সিস্টেমিক কার্যকারিতা মাত্র প্রায় ০.৩%। সিমেথিকন শরীর দ্বারা শোষিত হয় না। লােপেরামাইডের প্লাজমা প্রোটিন বাইন্ডিং ৯৫%। এটি লিভারের মাধ্যমে প্রায় সম্পূর্ণ নিষ্কাশিত ও রূপান্তরিত হয়ে পিত্তের মাধ্যমে নিঃসৃত হয়। লােপেরামাইডের হাফ-লাইফ প্রায় ১১ ঘণ্টা। অপরিবর্তিত লােপেরামাইড এবং এর রূপান্তরিত উপাদান মূলত মলের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
ঔষধের মাত্রা
প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু: প্রথমবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর ২টি ট্যাবলেট এবং পরবর্তীতে প্রতিবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর ১টি করে ট্যাবলেট/ক্যাপলেট সেবন করতে হবে। দিনে সর্বোচ্চ ৪টি ট্যাবলেট খাওয়া যাবে এবং এটি একটানা ২ দিনের বেশি সেবন করা যাবে না।
৬-১১ বছর বয়সী শিশু: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য এটি সুপারিশ করা হয় না। তবে চিকিৎসকের পরামর্শে সম্ভাব্য যে মাত্রা ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রথমবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর ১টি ট্যাবলেট এবং পরবর্তীতে প্রতিবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর ১/২ (অর্ধেক) ট্যাবলেট।
৯-১১ বছর বয়সীদের জন্য: দৈনিক সর্বোচ্চ ৩টি ট্যাবলেট।
৬-৮ বছর বয়সীদের জন্য: দৈনিক সর্বোচ্চ ২টি ট্যাবলেট। এটিও সর্বোচ্চ ২ দিনের বেশি ব্যবহার করা যাবে না।
১২ বছরের কম বয়সী শিশু: ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এই ট্যাবলেটটি বিশেষ সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত, কারণ তাদের ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়ার তারতম্য হতে পারে এবং গিলতে অসুবিধা হতে পারে।
বয়োবৃদ্ধ (>৬৫ বছর): বয়স্কদের জন্য কোনো ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
কিডনির সমস্যা: কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস পাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
লিভারের সমস্যা: লিভারের সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও, এই ট্যাবলেটটি সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত; কারণ তাদের ক্ষেত্রে প্রথম পাসের মেটাবলিজম কমে যায়।
৬-১১ বছর বয়সী শিশু: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য এটি সুপারিশ করা হয় না। তবে চিকিৎসকের পরামর্শে সম্ভাব্য যে মাত্রা ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রথমবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর ১টি ট্যাবলেট এবং পরবর্তীতে প্রতিবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর ১/২ (অর্ধেক) ট্যাবলেট।
৯-১১ বছর বয়সীদের জন্য: দৈনিক সর্বোচ্চ ৩টি ট্যাবলেট।
৬-৮ বছর বয়সীদের জন্য: দৈনিক সর্বোচ্চ ২টি ট্যাবলেট। এটিও সর্বোচ্চ ২ দিনের বেশি ব্যবহার করা যাবে না।
১২ বছরের কম বয়সী শিশু: ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এই ট্যাবলেটটি বিশেষ সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত, কারণ তাদের ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়ার তারতম্য হতে পারে এবং গিলতে অসুবিধা হতে পারে।
বয়োবৃদ্ধ (>৬৫ বছর): বয়স্কদের জন্য কোনো ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
কিডনির সমস্যা: কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস পাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
লিভারের সমস্যা: লিভারের সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও, এই ট্যাবলেটটি সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত; কারণ তাদের ক্ষেত্রে প্রথম পাসের মেটাবলিজম কমে যায়।
সেবনবিধি
এই ট্যাবলেট মুখে সেবন করতে হবে এবং দিনের যেকোনো সময় নেওয়া যেতে পারে। ক্যাপলেটটি এক গ্লাস ভরা (২৫০ মিলি) পানি দিয়ে গিলে খেতে হবে। চিবিয়ে খাওয়ার ট্যাবলেটগুলো সম্পূর্ণ চিবিয়ে তারপর গিলতে হবে। ডায়রিয়ার কারণে শরীরে যে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, তা প্রতিরোধ করতে প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার বা পানি পান করুন। এটি কেবল খালি পেটে সেবন করতে হবে (খাবারের ১ ঘণ্টা আগে অথবা খাবারের ২ ঘণ্টা পরে)।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
গবেষণায় দেখা গেছে লোপ্যারামাইড একটি P-glycoprotein সাবস্ট্রেট। কুইনিডিন বা রিটোনাভির (যা P-glycoprotein ইনহিবিটর) এর সাথে লোপ্যারামাইড (১৬ মিলিগ্রাম একক ডোজ) একসাথে সেবন করলে রক্তে লোপ্যারামাইডের মাত্রা ২ থেকে ৩ গুণ বেড়ে যায়। তবে সাধারণ মাত্রায় সেবনের ক্ষেত্রে এই মিথস্ক্রিয়ার ক্লিনিকাল গুরুত্ব এখনো অজানা।
ইট্রাকোনাজোল (CYP3A4 এবং P-glycoprotein ইনহিবিটর) এর সাথে লোপ্যারামাইড (৪ মিলিগ্রাম একক ডোজ) সেবন করলে রক্তে লোপ্যারামাইডের মাত্রা ৩ থেকে ৪ গুণ বৃদ্ধি পায়। একই গবেষণায় জেমফিব্রোজিল (CYP2C8 ইনহিবিটর) লোপ্যারামাইডের মাত্রা প্রায় ২ গুণ বাড়িয়ে দেয়। ইট্রাকোনাজোল এবং জেমফিব্রোজিল একসাথে ব্যবহার করলে লোপ্যারামাইডের সর্বোচ্চ প্লাজমা স্তর ৪ গুণ এবং মোট প্লাজমা এক্সপোজার ১৩ গুণ বৃদ্ধি পায়। তবে এর ফলে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের (CNS) ওপর কোনো প্রভাব (যেমন: ঝিমুনি) দেখা যায়নি।
কিটোকোনাজোল (CYP3A4 এবং P-glycoprotein ইনহিবিটর) এর সাথে লোপ্যারামাইড (১৬ মিলিগ্রাম একক ডোজ) সেবন করলে রক্তে লোপ্যারামাইডের মাত্রা ৫ গুণ বৃদ্ধি পায়।
মুখের ডেসমোপ্রেসিন এর সাথে এটি সেবন করলে ডেসমোপ্রেসিনের প্লাজমা মাত্রা ৩ গুণ বৃদ্ধি পায়, যা সম্ভবত অন্ত্রের ধীরগতির কারণে হয়ে থাকে।
অনুরূপ ফার্মাকোলজিক্যাল বৈশিষ্ট্যযুক্ত ওষুধগুলো লোপ্যারামাইডের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং যেসব ওষুধ অন্ত্রের গতি বৃদ্ধি করে, সেগুলো এর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।
যেহেতু সিমেথিকোন পরিপাকতন্ত্র থেকে শোষিত হয় না, তাই অন্য ওষুধের সাথে সিমেথিকোন-এর কোনো উল্লেখযোগ্য মিথস্ক্রিয়া আশা করা যায় না।
ইট্রাকোনাজোল (CYP3A4 এবং P-glycoprotein ইনহিবিটর) এর সাথে লোপ্যারামাইড (৪ মিলিগ্রাম একক ডোজ) সেবন করলে রক্তে লোপ্যারামাইডের মাত্রা ৩ থেকে ৪ গুণ বৃদ্ধি পায়। একই গবেষণায় জেমফিব্রোজিল (CYP2C8 ইনহিবিটর) লোপ্যারামাইডের মাত্রা প্রায় ২ গুণ বাড়িয়ে দেয়। ইট্রাকোনাজোল এবং জেমফিব্রোজিল একসাথে ব্যবহার করলে লোপ্যারামাইডের সর্বোচ্চ প্লাজমা স্তর ৪ গুণ এবং মোট প্লাজমা এক্সপোজার ১৩ গুণ বৃদ্ধি পায়। তবে এর ফলে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের (CNS) ওপর কোনো প্রভাব (যেমন: ঝিমুনি) দেখা যায়নি।
কিটোকোনাজোল (CYP3A4 এবং P-glycoprotein ইনহিবিটর) এর সাথে লোপ্যারামাইড (১৬ মিলিগ্রাম একক ডোজ) সেবন করলে রক্তে লোপ্যারামাইডের মাত্রা ৫ গুণ বৃদ্ধি পায়।
মুখের ডেসমোপ্রেসিন এর সাথে এটি সেবন করলে ডেসমোপ্রেসিনের প্লাজমা মাত্রা ৩ গুণ বৃদ্ধি পায়, যা সম্ভবত অন্ত্রের ধীরগতির কারণে হয়ে থাকে।
অনুরূপ ফার্মাকোলজিক্যাল বৈশিষ্ট্যযুক্ত ওষুধগুলো লোপ্যারামাইডের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং যেসব ওষুধ অন্ত্রের গতি বৃদ্ধি করে, সেগুলো এর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।
যেহেতু সিমেথিকোন পরিপাকতন্ত্র থেকে শোষিত হয় না, তাই অন্য ওষুধের সাথে সিমেথিকোন-এর কোনো উল্লেখযোগ্য মিথস্ক্রিয়া আশা করা যায় না।
প্রতিনির্দেশনা
এই ওষুধের যেকোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা বা অ্যালার্জি থাকলে।
২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে লোপ্যারামাইড হাইড্রোক্লোরাইড/সিমেথিকোন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
যেসব ক্ষেত্রে কোষ্ঠকাঠিন্য এড়িয়ে চলতে হবে, সেখানে এটি ব্যবহার করা যাবে না।
তীব্র আমাশয়, যার লক্ষণে মলের সাথে রক্ত এবং উচ্চ জ্বর থাকে, সেই ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
ডায়রিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট ঘাটতি হতে পারে। এই ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট থেরাপি (যেমন: খাবার স্যালাইন) বন্ধ করা যাবে না।
সালমোনেলা, শিগেলা এবং ক্যাম্পাইলোব্যাক্টার-এর মতো আক্রমণাত্মক জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট ব্যাকটেরিয়াল এন্টারোকোলাইটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
ব্রড-স্পেক্ট্রাম অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট সিউডোমেমব্রেনাস কোলাইটিস বা তীব্র আলসারেটিভ কোলাইটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যাবে না। এসব রোগীদের ক্ষেত্রে অন্ত্রের গতি হ্রাসকারী ওষুধ ব্যবহারের ফলে ইলিয়াস বা টক্সিক মেগাকোলন-এর মতো মারাত্মক জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে। পেট ফুলে গেলে বা কোনো প্রতিকূল লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে এই ওষুধ সেবন বন্ধ করতে হবে। সাধারণত, যেখানে অন্ত্রের সংকোচন রোধ করা নিষেধ, সেখানে এটি ব্যবহার করা যাবে না।
২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে লোপ্যারামাইড হাইড্রোক্লোরাইড/সিমেথিকোন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
যেসব ক্ষেত্রে কোষ্ঠকাঠিন্য এড়িয়ে চলতে হবে, সেখানে এটি ব্যবহার করা যাবে না।
তীব্র আমাশয়, যার লক্ষণে মলের সাথে রক্ত এবং উচ্চ জ্বর থাকে, সেই ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
ডায়রিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট ঘাটতি হতে পারে। এই ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট থেরাপি (যেমন: খাবার স্যালাইন) বন্ধ করা যাবে না।
সালমোনেলা, শিগেলা এবং ক্যাম্পাইলোব্যাক্টার-এর মতো আক্রমণাত্মক জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট ব্যাকটেরিয়াল এন্টারোকোলাইটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
ব্রড-স্পেক্ট্রাম অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট সিউডোমেমব্রেনাস কোলাইটিস বা তীব্র আলসারেটিভ কোলাইটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যাবে না। এসব রোগীদের ক্ষেত্রে অন্ত্রের গতি হ্রাসকারী ওষুধ ব্যবহারের ফলে ইলিয়াস বা টক্সিক মেগাকোলন-এর মতো মারাত্মক জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে। পেট ফুলে গেলে বা কোনো প্রতিকূল লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে এই ওষুধ সেবন বন্ধ করতে হবে। সাধারণত, যেখানে অন্ত্রের সংকোচন রোধ করা নিষেধ, সেখানে এটি ব্যবহার করা যাবে না।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
২০৪০ জন রোগীর ওপর পাঁচটি ক্লিনিকাল ট্রায়ালে এই ওষুধের নিরাপত্তা মূল্যায়ন করা হয়েছে। সবচেয়ে সাধারণ (অর্থাৎ ≥১% ঘটনা) পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো হলো: স্বাদের পরিবর্তন বা ডিসজিউসিয়া (২.৬%) এবং বমি বমি ভাব (১.৬%)।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
মানব গর্ভাবস্থায় এর নিরাপত্তা এখনও সুপ্রতিষ্ঠিত নয়। প্রাণী গবেষণায় কোনো ভ্রূণ বিকৃতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। চিকিৎসাগতভাবে অত্যন্ত জরুরি না হলে গর্ভাবস্থায়, বিশেষ করে প্রথম ত্রৈমাসিকে এটি দেওয়া উচিত নয়। লোপ্যারামাইডের সামান্য পরিমাণ মায়ের বুকের দুধে নিঃসৃত হতে পারে। তাই স্তন্যদানকালে এটি সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয় না।
সতর্কতা
এই ওষুধ দ্বারা ডায়রিয়ার চিকিৎসা শুধুমাত্র উপসর্গভিত্তিক। ডায়রিয়ার মূল কারণ জানা গেলে সেই অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা দিতে হবে। যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনো উন্নতি লক্ষ্য করা না যায়, তবে এই ওষুধ সেবন বন্ধ করতে হবে। লিভারের সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এটি সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ এটি শরীরে জমে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের বিষাক্ততা তৈরি করতে পারে। তীব্র লিভারের সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের কঠোর তত্ত্বাবধানে এটি ব্যবহার করা উচিত। মাত্রাধিক্য বা ওভারডোজের ক্ষেত্রে হার্টের সমস্যা (যেমন: QT interval এবং QRS complex প্রলম্বিত হওয়া) রিপোর্ট করা হয়েছে।
সংরক্ষণ
৩০° সেলসিয়াসের নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে এবং ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
