Unit Price:
৳ 45.00
(1 x 10: ৳ 450.00)
Strip Price:
৳ 450.00
Also available as:
নির্দেশনা
ননসিরোটিক, নন-অ্যালকোহলিক স্টিটোহেপাটাইটিস (ন্যাশ) সহ মাঝারি থেকে জটিল লিভার ফাইব্রোসিস (এফ২ থেকে এফ৩ স্টেজ এর ফাইব্রোসিস) এ আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের চিকিৎসায় রেসরন ট্যাবলেট পরিমিত খাবার এবং ব্যায়ামের সাথে নির্দেশিত।
ফার্মাকোলজি
রেসমেটিরম থাইরয়েড হরমোন রিসেপ্টর-বিটা চআর-বিটা) এর একটি আংশিক অ্যাগোনিস্ট। টিএইচঅ-ার-বিটা এক্টিভেশনের একটি ইন ভিট্রো পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, ট্রাইআয়োডোথাইরোনিন (টি৩) এর তুলনায় রেসমেটিরম ০.২১ মাইক্রোমিটার এর ইসি৫০ দিয়ে সর্বোচ্চ ৮৩.৮% কার্যকারিতা প্রদর্শন করে। একই পরীক্ষায় থাইরয়েড হরমোন রিসেপ্টর-আলফা (টিএইচ- আর-আলফা) অ্যাগোনিজম এর ক্ষেত্রে রেসমেটিরম ৩.৭৪ মাইক্রোমিটার এর ইসি৫০ এ টি৩ এর তুলনায় ৪৮.৬% কার্যকারিতা প্রদর্শন করে। লিভারের টিএইচআর এর প্রধান ধরন হল টিএইচআর-বিটা এবং লিভারে এটি উদ্দীপিত হলে ইন্ট্রাহেপাটিক ট্রাইগিসারাইড কমায়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
রেসমেটিরম এর মাত্রা রোগীর শারীরিক ওজনের উপর নির্ভরশীল। রোগীর ওজন যদিঃ
- ১০০ কেজির কম হয়, তাহলে দিনে ৮০ মি.গ্রা. রেসমেটিরম মুখে সেব্য।
- ১০০ কেজি বা তার থেকে বেশী হয়, তাহলে দিনে ১০০ মি.গ্রা. রেসমেটিরম মুখে সেব্য।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
রেসরনের উপর অন্যান্য ওষুধের প্রভাব: শক্তিশালী বা মাঝারি মানের সিওয়াইপি২সি৮ ইনহিবিটরস: শক্তিশালী বা মাঝারি মানের সিওয়াইপি২সি৮ ইনহিবিটরের সাথে রেসরন একত্রে সেবন করলে রেসরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। শক্তিশালী সিওয়াইপি২সি৮ ইনহিবিট (যেমন, জেমফাইব্রোজিল) এর সাথে রেসরন সেবন করা উচিৎ নয়। মাঝারি মানের সিওয়াইপি২সি৮ ইনহিবিটর (যেমন, ক্লোপিডগ্রেল) এর সাথে রেসরন সেবন করা হলে রেসরনের মাত্রা কমানো উচিৎ:
অন্যান্য ওষুধের উপর রেসরনের প্রভাব: স্ট্যাটিনস (এ্যাটোরভাস্ট্যাটিন, প্রাভাস্ট্যাটিন রোসুভাস্ট্যাটিন, বা সিমভাস্ট্যাটিন): রেসরন কিছু স্ট্যাটিনের (এটোরভাস্ট্যাটিন, প্রভাস্ট্যাটিন, রোসুভাস্ট্যাটিন এবং সিমভাস্ট্যাটিন) প্লাজমা ঘনত্ব বাড়িয়ে দেয়, যা এই ওষুধগুলির সাথে সম্পর্কিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই রেসরনের সাথে একত্রে সেবনের সময় স্ট্যাটিনগুলির মাত্রা সমন্বয় করা উচিৎ।
- রোগীর ওজন ১০০ কেজির কম হলে রেসরনের মাত্রা কমিয়ে দিনে ৬০ মি.গ্রা. দিতে হবে।
- রোগীর ওজন ১০০ কেজি বা তার বেশি হলে রেসরনের মাত্রা কমিয়ে দিনে ৮০ মি.গ্রা. দিতে হবে।
অন্যান্য ওষুধের উপর রেসরনের প্রভাব: স্ট্যাটিনস (এ্যাটোরভাস্ট্যাটিন, প্রাভাস্ট্যাটিন রোসুভাস্ট্যাটিন, বা সিমভাস্ট্যাটিন): রেসরন কিছু স্ট্যাটিনের (এটোরভাস্ট্যাটিন, প্রভাস্ট্যাটিন, রোসুভাস্ট্যাটিন এবং সিমভাস্ট্যাটিন) প্লাজমা ঘনত্ব বাড়িয়ে দেয়, যা এই ওষুধগুলির সাথে সম্পর্কিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই রেসরনের সাথে একত্রে সেবনের সময় স্ট্যাটিনগুলির মাত্রা সমন্বয় করা উচিৎ।
- রোসুভাস্ট্যাটিন এবং সিমভাস্ট্যাটিন: দিনে সর্বোচ্চ ২০ মি. গ্রা. এর বেশি সেবন করা উচিৎ নয়।
- প্রভাস্ট্যাটিন এবং এ্যাটোরভাস্ট্যাটিন: দিনে সর্বোচ্চ ৪০ মি.গ্রা. এর বেশি সেবন করা উচিৎ নয়।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
রেসরন এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলি হল:
- ডায়রিয়া
- বমি বমি ভাব
- বমি পেট ব্যথা মাথা ঘোরা
- চুলকানি
- কোষ্ঠকাঠিন্য।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভাবস্থায়: গর্ভবতী মা রেসমেটিরম সেবন করলে, ওষুধের কারনে জন্মগত ত্রুটি, গর্ভপাত অথবা মা বা ভূণের ওপর অন্য কোন ক্ষতিকর প্রভাবের ঝুঁকি মুল্যায়নের জন্য কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
মাতৃদুগ্ধ প্রদানের সময়: মানব বা প্রাণির দুধে রেসমেটিরম নিঃসৃত হওয়া, স্তন্যপানকারী শিশুর উপর অথবা দুধ উৎপাদনের উপর ওষুধটির প্রভাব সম্পর্কিত কোন তথ্য নেই। রেসমেটিরম দিয়ে চিকিৎসাকালে স্তন্যপানে শিশুর বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যগত সুবিধাগুলির সাথে মায়ের চিকিৎসায় রেসমেটিরমের প্রয়োজনীয়তা এবং স্তন্যপানকারী শিশুর উপর রেসমেটিরম বা মায়ের স্বাস্থ্যগত কারন সম্ভাব্য বিরূপ প্রতিক্রিয়াসমূহ বিবেচনা করা উচিৎ।
মাতৃদুগ্ধ প্রদানের সময়: মানব বা প্রাণির দুধে রেসমেটিরম নিঃসৃত হওয়া, স্তন্যপানকারী শিশুর উপর অথবা দুধ উৎপাদনের উপর ওষুধটির প্রভাব সম্পর্কিত কোন তথ্য নেই। রেসমেটিরম দিয়ে চিকিৎসাকালে স্তন্যপানে শিশুর বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যগত সুবিধাগুলির সাথে মায়ের চিকিৎসায় রেসমেটিরমের প্রয়োজনীয়তা এবং স্তন্যপানকারী শিশুর উপর রেসমেটিরম বা মায়ের স্বাস্থ্যগত কারন সম্ভাব্য বিরূপ প্রতিক্রিয়াসমূহ বিবেচনা করা উচিৎ।
সতর্কতা
হেপাটোটক্সিসিটি: রেসরন ব্যবহারে হেপাটোটক্সিসিটি পরিলক্ষিত হয়। রেসরন দিয়ে চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে লিভারের এনজাইম বাড়া, লিভার সম্পর্কিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং হেপাটোটক্সিসিটির লক্ষণ ও উপসর্গর জন্য রোগীকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন। হেপাটোটক্সিসিটি হলে রেসরন বন্ধ রেখে রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখা উচিৎ। রোগীর অবস্থা স্বাভাবিক হলে রেসরন পুনরায় শুরু করার সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং সুবিধাসমূহ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে
পিত্তথলি সম্পর্কিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: ক্লিনিকাল ট্রায়ালগুলিতে, রেসরন দিয়ে চিকিৎসা করা রোগীদের মধ্যে কোলেলিথিয়াসিস, একিউট কোলেসিস্টাইটিস এবং অবস্ট্রাকটিভ প্যানক্রিয়াটাইটিস (পিত্তথলির পাথর) পরিলক্ষিত হয়েছে। কোলেলিথিয়াসিস সন্দেহ হলে, গলবাডারের সমস্যা হলে, পিত্তথলির পরীক্ষা এবং উপযুক্ত ক্লিনিকাল ফলো-আপ করতে হবে। সমস্যা ভালো না হওয়া পর্যন্ত রেসরন দিয়ে চিকিৎসা বন্ধ রাখা উচিৎ।
স্ট্যাটিনের সাথে প্রতিক্রিয়া: রেসরনের সাথে এ্যাটোরভাস্ট্যাটিন, প্রাভাস্ট্যাটিন, রোসুভাস্ট্যাটিন এবং সিমভাস্ট্যাটিন একত্রে ব্যবহার করলে রক্তে এসব ওষুধের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে যা এই ওষুধগুলির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই একই সাথে ব্যবহারকালে এসব স্ট্যাটিন এর মাত্রা সমন্বয় করা উচিৎ।
পিত্তথলি সম্পর্কিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: ক্লিনিকাল ট্রায়ালগুলিতে, রেসরন দিয়ে চিকিৎসা করা রোগীদের মধ্যে কোলেলিথিয়াসিস, একিউট কোলেসিস্টাইটিস এবং অবস্ট্রাকটিভ প্যানক্রিয়াটাইটিস (পিত্তথলির পাথর) পরিলক্ষিত হয়েছে। কোলেলিথিয়াসিস সন্দেহ হলে, গলবাডারের সমস্যা হলে, পিত্তথলির পরীক্ষা এবং উপযুক্ত ক্লিনিকাল ফলো-আপ করতে হবে। সমস্যা ভালো না হওয়া পর্যন্ত রেসরন দিয়ে চিকিৎসা বন্ধ রাখা উচিৎ।
স্ট্যাটিনের সাথে প্রতিক্রিয়া: রেসরনের সাথে এ্যাটোরভাস্ট্যাটিন, প্রাভাস্ট্যাটিন, রোসুভাস্ট্যাটিন এবং সিমভাস্ট্যাটিন একত্রে ব্যবহার করলে রক্তে এসব ওষুধের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে যা এই ওষুধগুলির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই একই সাথে ব্যবহারকালে এসব স্ট্যাটিন এর মাত্রা সমন্বয় করা উচিৎ।
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
শিশুদের ক্ষেত্রে: শিশুদের ক্ষেত্রে রেসরন এর নিরাপদ ব্যবহার ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে: বয়সের কারনে সামগ্রিকভাবে ওষুধের কার্যকারিতায় কোন পার্থক্য পাওয়া যায়নি, তবে অল্পবয়সী রোগীর তুলনায় ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী রোগী যারা রেসরন সেবন করছে তাদের ক্ষেত্রে সংখ্যাগতভাবে বেশী সংখ্যক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঘটনা পরিলক্ষিত হয়েছে।
কিডনী রোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে: অল্প বা মাঝারি মাত্রার কিডনী রোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে কিডনী রোগে আক্রান্ত নয় এমন রোগীদের মত একই মাত্রায় রেসরন নির্দেশিত। গুরুতর কিডনী রোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে রেসরন পরীক্ষিত নয়।
লিভার রোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে: ডিকম্পেনসেটেড সিরোসিস (মাঝারি থেকে গুরুতর লিভার রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে রেসরন ব্যবহার বন্ধ রাখা উচিত। মাঝারি বা গুরুতর লিভার রোগ (চাইল্ড-পিউ ক্লাস বি বা সি) রেসরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। মৃদু মানের লিভার রোগে (চাইল্ড-পিউ ক্লাস এ) আক্রান্ত রোগীদের জন্য কোনো মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই।
বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে: বয়সের কারনে সামগ্রিকভাবে ওষুধের কার্যকারিতায় কোন পার্থক্য পাওয়া যায়নি, তবে অল্পবয়সী রোগীর তুলনায় ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী রোগী যারা রেসরন সেবন করছে তাদের ক্ষেত্রে সংখ্যাগতভাবে বেশী সংখ্যক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঘটনা পরিলক্ষিত হয়েছে।
কিডনী রোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে: অল্প বা মাঝারি মাত্রার কিডনী রোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে কিডনী রোগে আক্রান্ত নয় এমন রোগীদের মত একই মাত্রায় রেসরন নির্দেশিত। গুরুতর কিডনী রোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে রেসরন পরীক্ষিত নয়।
লিভার রোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে: ডিকম্পেনসেটেড সিরোসিস (মাঝারি থেকে গুরুতর লিভার রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে রেসরন ব্যবহার বন্ধ রাখা উচিত। মাঝারি বা গুরুতর লিভার রোগ (চাইল্ড-পিউ ক্লাস বি বা সি) রেসরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। মৃদু মানের লিভার রোগে (চাইল্ড-পিউ ক্লাস এ) আক্রান্ত রোগীদের জন্য কোনো মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই।
সংরক্ষণ
আলো থেকে দূরে শুষ্ক স্থানে ও ৩০°সে এর নিচে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
