পিউরিসাল নেবুলাইজার সল্যুসন
Pack Image
০.৬৩ মি.গ্রা./৩ মি.লি.
3 ml ampoule:
৳ 15.00
(2 x 6: ৳ 180.00)
Also available as:
নির্দেশনা
রিভার্সিবল অবস্ট্রাক্টিভ এয়ারওয়ে ডিজিজ (যেমন- অ্যাজমা বা হাঁপানি) আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্ক, কিশোর এবং শিশুদের ব্রঙ্কোস্পাজম (শ্বাসনালীর সংকোচন) এর চিকিৎসায় এবং প্রতিরোধে পিউরিসাল নেবুলাইজার সলিউশন অথবা ইনহেলার নির্দেশিত।
ফার্মাকোলজি
লেভোসালবিউটামল নেবুলাইজার সলিউশন হলো লেভোসালবিউটামল হাইড্রোক্লোরাইডের একটি জীবাণুমুক্ত, পরিষ্কার, বর্ণহীন এবং প্রিজারভেটিভ-মুক্ত দ্রবণ। এটি মূলত রেসিমিক সালবুটামলের একটি সক্রিয় রূপ বা (R)-এন্যান্টিওমার। লেভোসালবিউটামল হাইড্রোক্লোরাইড একটি অপেক্ষাকৃত সুনির্দিষ্ট β2 অ্যাড্রেনার্জিক রিসেপ্টর অ্যাগোনিস্ট।
শ্বাসনালীর মসৃণ পেশীতে (Airway smooth muscle) থাকা বিটা-২ অ্যাড্রেনার্জিক রিসেপ্টরগুলো সক্রিয় হওয়ার মাধ্যমে 'অ্যাডেনিলসাইক্লেজ' এনজাইম উদ্দীপিত হয় এবং কোষের অভ্যন্তরে সাইক্লিক এএমপি (cAMP)-এর ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। এই cAMP বৃদ্ধির ফলে প্রোটিন কাইনেজ A সক্রিয় হয়, যা মায়োসিনের ফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়াকে বাধা দেয় এবং কোষের ভেতরের আয়নিত ক্যালসিয়ামের ঘনত্ব কমিয়ে দেয়; যার ফলশ্রুতিতে শ্বাসনালীর পেশী শিথিল বা প্রশমিত (Relaxation) হয়। লেভোসালবিউটামল উইন্ডপাইপ বা শ্বাসনালী (Trachea) থেকে শুরু করে শেষ প্রান্তের ব্রঙ্কিওল পর্যন্ত সমস্ত শ্বাসনালীর মসৃণ পেশীগুলোকে শিথিল করে। এটি একটি ফাংশনাল অ্যান্টাগনিস্ট হিসেবে কাজ করে, ফলে যে কারণেই শ্বাসনালীর সংকোচন বা স্পাজম হোক না কেন, এটি পেশী শিথিল করার মাধ্যমে সব ধরণের ব্রঙ্কোকনস্ট্রিকশনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়।
শ্বাসনালীর মসৃণ পেশীতে (Airway smooth muscle) থাকা বিটা-২ অ্যাড্রেনার্জিক রিসেপ্টরগুলো সক্রিয় হওয়ার মাধ্যমে 'অ্যাডেনিলসাইক্লেজ' এনজাইম উদ্দীপিত হয় এবং কোষের অভ্যন্তরে সাইক্লিক এএমপি (cAMP)-এর ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। এই cAMP বৃদ্ধির ফলে প্রোটিন কাইনেজ A সক্রিয় হয়, যা মায়োসিনের ফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়াকে বাধা দেয় এবং কোষের ভেতরের আয়নিত ক্যালসিয়ামের ঘনত্ব কমিয়ে দেয়; যার ফলশ্রুতিতে শ্বাসনালীর পেশী শিথিল বা প্রশমিত (Relaxation) হয়। লেভোসালবিউটামল উইন্ডপাইপ বা শ্বাসনালী (Trachea) থেকে শুরু করে শেষ প্রান্তের ব্রঙ্কিওল পর্যন্ত সমস্ত শ্বাসনালীর মসৃণ পেশীগুলোকে শিথিল করে। এটি একটি ফাংশনাল অ্যান্টাগনিস্ট হিসেবে কাজ করে, ফলে যে কারণেই শ্বাসনালীর সংকোচন বা স্পাজম হোক না কেন, এটি পেশী শিথিল করার মাধ্যমে সব ধরণের ব্রঙ্কোকনস্ট্রিকশনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়।
ঔষধের মাত্রা
নেবুলাইজার সলিউশন: এই সলিউশনটি নির্দিষ্ট একক ডোজের অ্যাম্পুল (Ampoule) আকারে সরবরাহ করা হয় এবং নেবুলাইজেশনের মাধ্যমে ব্যবহারের আগে এটি আলাদাভাবে পাতলা বা ডাইলিউট করার প্রয়োজন হয় না।
- শিশু (৬ মাস থেকে ১১ বছর): নেবুলাইজেশনের মাধ্যমে ০.৩১ মি.গ্রা. দিনে ৩ বার সেব্য। নিয়মিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই মাত্রা দিনে ৩ বার ০.৬৩ মি.গ্রা.-এর বেশি হওয়া উচিত নয়।
- প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২ বছরের বেশি বয়সী কিশোর: প্রাথমিক প্রস্তাবিত মাত্রা হলো ০.৬৩ মি.গ্রা., যা নেবুলাইজেশনের মাধ্যমে প্রতি ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পরপর দিনে ৩ থেকে ৪ বার সেব্য।
- ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী রোগী (তীব্র অ্যাজমা বা পর্যাপ্ত প্রতিক্রিয়া না দেখা দিলে): যাদের সমস্যা তীব্র অথবা যারা ০.৬৩ মি.গ্রা. ডোজে পর্যাপ্ত ফল পাচ্ছেন না, তারা চিকিৎসকের পরামর্শে ১.২৫ মি.গ্রা. দিনে ৩ বার ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারেন।
সেবনবিধি
ইনহেলার ব্যবহার সহজ মনে হলেও অনেক রােগী সঠিকভাবে এর ব্যবহার জানে না। রােগী সঠিকভাবে ইনহেলার ব্যবহার না করলে তার ফুসফুসে পর্যাপ্ত মাত্রায় ঔষধ প্রবেশ করে না। ইনহেলারের নিয়মিত ও সঠিক ব্যবহার এ্যাজমা আক্রমন রােধ করে ও এর তীব্রতা কমায়।
নিম্নলিখিত নিয়মাবলী পালন করে আপনি আশানুরূপ ফল পেতে পারেন যা অ্যাজমা এসােসিয়েশন কর্তৃক প্রকাশিত "National Asthma Guidelines for Medical Practitioners" অনুসরণে:
নিম্নলিখিত নিয়মাবলী পালন করে আপনি আশানুরূপ ফল পেতে পারেন যা অ্যাজমা এসােসিয়েশন কর্তৃক প্রকাশিত "National Asthma Guidelines for Medical Practitioners" অনুসরণে:
- প্রথমে ঢাকনা খুলে নিন
- প্রতিবার ব্যাবহারের পুর্বে ইনহেলার ভালোভাবে ঝকিয়ে নিন।
- ইনয়েলারটি যদি নতুন হয় অথবা এক সপ্তাহ বা এর অধিক বিরতিতে ব্যবহৃত হয় তাহলে এই পরীক্ষামূলক ব্যবহার প্রয়োজন; অর্থাৎ একটি মাত্রা বাতাসে নিঃসৃত করে দেখতে হবে।
- সুবিধাজনকভাবে যতটুকু সম্ভব শ্বাস ত্যাগ করুন এবং ইনহেলালকে সোজাভাবে ধরুন।
- শ্বাস বন্ধ অবস্থায় ইনহেলারের মুখ আপনার মুখের ভিতর এমনভাবে পুরে নিন যেন আপনার মুখ ও ইনহেলারের মধ্যে কোন ফাঁক না থাকে।
- ক্যানিস্টারে চাপ দিন এবং সাথে সাথে মুখ দিয়ে অবিরাম কিন্তু ধীর গতিতে পূর্ণ মাত্রায় শ্বাস নিন।
- আপনার মুখ থেকে ইনহেলার বের করে নিন। ইনহেলার করার ১০ সেকেন্ড বা যতক্ষন সম্ভাব শ্বাস বন্ধ রাখুন এবং পরে ধীরে ধীরে শ্বাস ত্যাগ করুন।
- ডাক্তার যদি প্রতিবার একাধিক মাত্রা গ্রহনের পরামর্শ দেশ, তবে দ্বিতীয় চাপটির জন্য একসাথে ১ মিনিট অপেক্ষা করুন। অতঃপর ইনহেলার ভালোভাবে ঝাকিতে নিন এবং ৪ নং থেকে ৭ নং পর্যন্ত নিয়মাবলীর পুনরাবৃত্রি করুন।
- ব্যবহারের পর ক্যাপ দিয়ে এ্যাকচুয়েটরের মুখ বন্ধ রাখুন। ইনহেলার ব্যবহারের পর মুখে সাধারণ পানি দিয়ে কুলি করুন।
- আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে পুরো পদ্ধতিটা মাঝে মাঝে অনুশীলন করুন। যদি কোন সাহা ধোঁয়া দেখতে পান তবে বুঝবেন যে ঠোঁট দিয়ে এ্যাকচুয়েটরের মুখ ভালোভাবে ঢোকে নাই অথবা আপনি চাপের সাথে শ্বাস নিচ্ছেন না। এটা পদ্ধতিগত ভুল। এমন হলে ৪ নং পদ্ধতিটি আবার চেষ্টা করুন।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
অন্যান্য স্বল্প-মেয়াদী সিম্পাথোমিমেটিক অ্যারোসল ব্রঙ্কোডাইলেটর বা এপিনেফ্রিন পিউরিসাল এর সাথে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত। অন্য কোনো রুটে বা উপায়ে যদি এই জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করতে হয়, তবে হৃদযন্ত্রের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব এড়াতে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
বিটা-ব্লকার: বিটা-ব্লকার জাতীয় ঔষধগুলো পিউরিসাল এর কার্যকারিতা নষ্ট করার পাশাপাশি অ্যাজমা রোগীদের ক্ষেত্রে তীব্র ব্রঙ্কোস্পাজম বা শ্বাসকষ্ট তৈরি করতে পারে। তবে হার্ট অ্যাটাকের পর সুরক্ষার মতো কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে যদি কোনো বিকল্প না থাকে, তবে কার্ডিও-সিলেক্টিভ বিটা-ব্লকারগুলো সতর্কতার সাথে বিবেচনা করা যেতে পারে।
ডাইইউরেটিক্স: পটাসিয়াম-স্পেয়ারিং নয় এমন ডাইইউরেটিক্স (প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ) ব্যবহারের ফলে ইসিজি (ECG) পরিবর্তন এবং রক্তে পটাশিয়াম কমে যাওয়ার যে ঝুঁকি থাকে, পিউরিসাল নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি সেবন করলে সেই ঝুঁকি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
ডিগক্সিন: যারা একই সাথে ডিগক্সিন এবং পিউরিসাল ব্যবহার করছেন, তাদের রক্তে ডিগক্সিনের মাত্রা (Serum digoxin levels) নিয়মিত ও সতর্কতার সাথে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
মনোঅ্যামাইন অক্সিডেস ইনহিবিটর বা ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট: যারা মনোঅ্যামাইন অক্সিডেস ইনহিবিটর (MAOI) বা ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট (বিষণ্ণতার ঔষধ) সেবন করছেন বা এই ঔষধগুলো বন্ধ করার ২ সপ্তাহের মধ্যে আছেন, তাদের ক্ষেত্রে পিউরিসাল অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
বিটা-ব্লকার: বিটা-ব্লকার জাতীয় ঔষধগুলো পিউরিসাল এর কার্যকারিতা নষ্ট করার পাশাপাশি অ্যাজমা রোগীদের ক্ষেত্রে তীব্র ব্রঙ্কোস্পাজম বা শ্বাসকষ্ট তৈরি করতে পারে। তবে হার্ট অ্যাটাকের পর সুরক্ষার মতো কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে যদি কোনো বিকল্প না থাকে, তবে কার্ডিও-সিলেক্টিভ বিটা-ব্লকারগুলো সতর্কতার সাথে বিবেচনা করা যেতে পারে।
ডাইইউরেটিক্স: পটাসিয়াম-স্পেয়ারিং নয় এমন ডাইইউরেটিক্স (প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ) ব্যবহারের ফলে ইসিজি (ECG) পরিবর্তন এবং রক্তে পটাশিয়াম কমে যাওয়ার যে ঝুঁকি থাকে, পিউরিসাল নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি সেবন করলে সেই ঝুঁকি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
ডিগক্সিন: যারা একই সাথে ডিগক্সিন এবং পিউরিসাল ব্যবহার করছেন, তাদের রক্তে ডিগক্সিনের মাত্রা (Serum digoxin levels) নিয়মিত ও সতর্কতার সাথে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
মনোঅ্যামাইন অক্সিডেস ইনহিবিটর বা ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট: যারা মনোঅ্যামাইন অক্সিডেস ইনহিবিটর (MAOI) বা ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট (বিষণ্ণতার ঔষধ) সেবন করছেন বা এই ঔষধগুলো বন্ধ করার ২ সপ্তাহের মধ্যে আছেন, তাদের ক্ষেত্রে পিউরিসাল অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
বিটা-২ অ্যাগোনিস্ট থেরাপির কারণে রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে (Hypokalaemia)। শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি বা হাইপোক্সিয়া থাকলে এই ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পায়। এছাড়া অন্যান্য সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে বুক ধড়ফড় করা (Palpitation), কঙ্কাল পেশীর বা হাত-পায়ের সূক্ষ্ম কাঁপুনি (Tremors) এবং পেশীতে টান বা ক্র্যাম্প লাগা অন্যতম। কিছু ক্ষেত্রে নার্ভাসনেস, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি এবং অনিদ্রা বা ঘুমের সমস্যা হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী নারীদের ওপর লিভোসালবিউটামল এর পর্যাপ্ত এবং সুনিয়ন্ত্রিত কোনো গবেষণা নেই। গর্ভাবস্থায় এই ঔষধটি কেবল তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন এর সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের ঝুঁকির তুলনায় অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে।
স্তন্যদানকাল: লিভোসালবিউটামল মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয় কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাই স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে লিভোসালবিউটামল ব্যবহারের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
স্তন্যদানকাল: লিভোসালবিউটামল মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয় কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাই স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে লিভোসালবিউটামল ব্যবহারের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
সতর্কতা
অন্যান্য সিম্পাথোমিমেটিক অ্যামাইনের মতো পিউরিসাল হাইড্রোক্লোরাইডও হৃদরোগ (বিশেষ করে করোরারি ইনসাফিসিয়েন্সি), উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের রিদমের সমস্যা (Arrhythmias), মৃগী রোগ বা খিঁচুনি, হাইপারথাইরয়েডিজম (থাইরয়েড হরমোনের আধিক্য) বা ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। পিউরিসাল নেবুলাইজার সলিউশন বা ইনহেলার কোনো অবস্থাতেই ইনজেকশন হিসেবে শরীরে প্রবেশ করানো যাবে না।
মাত্রাধিক্যতা
মাত্রাতিরিক্ত সেবনের ফলে বিটা-অ্যাড্রেনার্জিক রিসেপ্টরের অতিরিক্ত উদ্দীপনাজনিত লক্ষণ বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো অত্যন্ত তীব্রভাবে প্রকাশ পেতে পারে। এর চিকিৎসায় পিউরিসাল ব্যবহার অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং লক্ষণ অনুযায়ী যথাযথ চিকিৎসা (Symptomatic therapy) শুরু করতে হবে। প্রয়োজনবোধে চিকিৎসক অত্যন্ত সতর্কতার সাথে একটি কার্ডিও-সিলেক্টিভ বিটা-ব্লকার ঔষধ ব্যবহারের কথা বিবেচনা করতে পারেন।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Short-acting selective & β2-adrenoceptor stimulants
সংরক্ষণ
২৫° সেলসিয়াসের নিচে সংরক্ষণ করুন। আলো থেকে দূরে রাখুন। রেফ্রিজারেটরে বা ফ্রিজে রাখবেন না। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
